যবিপ্রবির ১১ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার

সংগৃহীত ছবি
অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন জার্নাল থেকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ১১টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়েছে। এর মধ্যে একজন শিক্ষকের নামই রয়েছে প্রত্যাহার করা সাতটি গবেষণাপত্রে।
আন্তর্জাতিকভাবে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্ট সম্পাদকীয় নোটিস সংরক্ষণকারী রিট্রাকশন ওয়াচ ডাটাবেইজে সম্প্রতি অনুসন্ধান করে এই তালিকা পাওয়া যায়।
তালিকায় যবিপ্রবির জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্সসহ একাধিক বিভাগের গবেষকদের নাম রয়েছে।
তালিকার তথ্য অনুযায়ী প্রত্যাহারকৃত সাতটি গবেষণাপত্রে নাম পাওয়া গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেনের।
অপ্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র, প্রত্যাহার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির জবাব না দেওয়াসহ নানা অভিযোগে অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেনের "Rapid hydrothermal synthesis of mesoporous NiS2 and NiSe2 nanostructures for wastewater treatment" শিরোনামের গবেষণাপত্রটি প্রত্যাহার করা হয়। এ ছাড়া আরও আলাদা ছয়টি প্রত্যাহার করা গবেষণাপত্রেও নাম রয়েছে তার।
এ ছাড়া অপ্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র, সন্দেহজনক প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় ও গবেষণায় লেখকদের অবদানের ব্যাখ্যা ও প্রমাণ দিতে ব্যার্থ হওয়ার অভিযোগে "The experimental significance of isorhamnetin as an effective therapeutic option for cancer: A comprehensive analysis" শিরোনামে এই গবেষণাপত্রটি প্রত্যাহার করা হয়। এই গবেষণাপত্রে যবিপ্রবির বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল হাসানের। ড. হাসানের আরো একটি প্রত্যাহারকৃত গবেষণাপত্রের শিরোনাম হলো "Advanced implications of nanotechnology in disease control and environmental perspectives"।
আরো একটি করে প্রত্যাহারকৃত গবেষণাপত্রে নাম রয়েছে ফিসারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সরোয়ার ই মাহফুজ এবং নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স বিভাগের প্রভাষক অঞ্জন কুমার রায়ের।
এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বললেন, ‘আমরা এ বিষয়টি যাচাই বাছাই করবো এবং কোনো ত্রুটি পেলে সে বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’






