Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ধান গেল বনও গেল, ঈদের আনন্দ ম্লান

মো. হাসান খান, মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা)
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ১৭:০১
ধান গেল বনও গেল, ঈদের আনন্দ ম্লান

ছবি: আগামীর সময়

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে হাওরে তৈরি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা।ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বোরো ধানের। চোখের সামনে তলিয়ে যাওয়া স্বপ্ন বাঁচাতে নাকসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন হাওরপাড়ের কৃষকরা। ডাঙ্গায় আনলেও পচন ধরছে ফসলে। সবমিলিয়ে তাদের এখন চরম ভোগান্তি। তার উপর জেঁকে বসেছে লোকসানের শঙ্কা। চোখে-মুখে হতাশা আর হাহাকার নিয়ে এবার ঈদুল আজহা কাটিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার হাওরে ঘুরে দেখা গেছে, রোদ উঠতেই খুটি গেড়ে পচা ধান জাল দিয়ে চালতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো এই পচা ধান ঘরে তুলতে একদিকে যেমন গুণতে হচ্ছে উচ্চ মজুরি, অন্যদিকে বাজারে পানির দরে ছাড়তে হচ্ছে ধান।

সব মিলিয়ে এখানকার অন্তত ৫ হাজার ৪৭৫ কৃষক এখন চরম সংকটে।

উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যে, হাওরাঞ্চলে সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়া বোরো ধানের জমির পরিমাণ ৭৪৫ হেক্টর। এতে কৃষকদের মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।


আগামীর সময়


উপজেলার অন্ততপুর কানুয়ারি গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক মানিক মিয়া (৩৩) ভাষায়, ‘ওত টেহা খরচ কইরা কোনোমতে পানিতে ডুবে যাওয়া ৩২ কাটা খেতের মধ্যে ৮ কাটা খেত কাইট্টা আনছিলাম। সেই খেতটা কাইট্টে আইনাও কোনো লাভ হইলোনা, পচে শেষ। পানি দিয়ে ভাসাইয়া দেওয়া ছাড়া আর উপায় নাই। ধান গেল বনও গেল। ঈদের আনন্দ শেষ। জাল দিয়া চাইল্লা লইতাছি পান্নে বনে এক লাষা (একাকার) ওয়ে যায়তেছে। গরুর একটা ঘাসও নাই। এহন আমরা দিশেহারা। আমরা কি যে করব মাথায় ধরে না।’

একই আক্ষেপ দিনমজুর ও কৃষক মানিকুলের (২৬) কণ্ঠে। ‘আট কাটা খেত করছিলাম। সবডা খেত পান্নে (পানিতে) নিয়ে গেছে। একটু কাইট্টা আনছিলাম। পানির নিচে থাকা পচা ধান মেশিনে মাড়াই করা যায় না।’

ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিলেন করাচাপুরের প্রবীণ কৃষক আব্দুল রাশিদ (৬৯)। ‘কত কষ্ট কইরা ৯৬ কাটা খেত করছিলাম। সবডা খেত পানিতে ডুব্বে গেছে। যে কয়ডা ধানেই কাইট্টা আনছিলাম। হেইডি আবার পইচ্চা শেষ। সরকার যদি আমারে কিছু দিত। তাইলে জীবনডা বাঁচতো। গরুডি যে কি খাইব চিন্তায় বাঁচতাছি না।’

এই ভয়াবহ দুর্যোগ ও বিপুল আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করে মোহনগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুর শাকুর সাদী জানান, আকস্মিক বন্যায় হাওরের হাজার হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করাসহ সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

হাওরনেত্রকোনার মোহনগঞ্জধান
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise