Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস সিলেট, বৃষ্টির অপেক্ষায় মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ১৭:৫৯
ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস সিলেট, বৃষ্টির অপেক্ষায় মানুষ

ছবি: আগামীর সময়

তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে সিলেটের জনজীবন। সকাল থেকেই তীব্র রোদ আর গুমোট আবহাওয়ায় নগরবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, পথচারী এবং খোলা আকাশের নিচে কর্মরতরা।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার সিলেটে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বজ্রসহ বৃষ্টি অথবা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ প্রায় ৭৮ শতাংশ থাকায় গরমের অনুভূতি আরও বেশি হচ্ছে।

নগরীর জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, বন্দরবাজার, চৌহাট্টা ও কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় দুপুরের দিকে মানুষের চলাচল তুলনামূলক কমে যায়। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। যারা কাজে বের হয়েছেন, তাদের বেশিরভাগকেই ছাতা, টুপি কিংবা পানির বোতল সঙ্গে রাখতে দেখা গেছে।

গরমে স্বস্তি পেতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে বেড়েছে লেবুর শরবতের চাহিদা। ফুটপাত ও অস্থায়ী স্টলগুলোতে শরবত বিক্রেতাদের ব্যস্ততা চোখে পড়েছে। পথচারী ও কর্মজীবী মানুষ এক গ্লাস ঠান্ডা শরবতে খুঁজছেন সাময়িক প্রশান্তি।

নগরীর চৌহাট্টা এলাকার শরবত বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেছেন, ‘গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরবতের বিক্রিও বেড়েছে। বিশেষ করে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ক্রেতার চাপ বেশি থাকে। অনেকে একাধিক গ্লাস শরবত পান করেন।’

রিকশাচালক আব্দুল মালিক বলেছেন, ‘গরমে রাস্তায় কাজ করা খুব কষ্টকর হয়ে গেছে। ঘন ঘন পানি ও শরবত খেতে হচ্ছে। কিছুক্ষণ পরপর বিশ্রাম না নিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।’

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এ ধরনের আবহাওয়ায় পানিশূন্যতা, ক্লান্তি ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান, ফলের রস ও শরবত গ্রহণ এবং অপ্রয়োজনে রোদে চলাচল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা শাহ মো. সজিব হোসাইন জানান, আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তাই গরমের এই অস্বস্তিকর সময়ে সিলেটবাসীর একটাই প্রত্যাশা, স্বস্তির বৃষ্টি।


ভ্যাপসা গরমহাঁসফাঁসজনজীবন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise