‘কারেন্টের যন্ত্রণায় রাইতে ঘুমাইতে পারি না’

ছবি: আগামীর সময়
‘সারা দিন কষ্ট করি। রাইতে ঘুমটা না হইলে সারা দিন শরীর খারাপ লাগে। গতকাল রাইতে এতবার কান্টে (বিদ্যুৎ) গেল আর আইলো যে একটুও ঘুমাইতে পারলাম না।’
আজ বুধবার লোডশেডিং নিয়ে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ময়মনসিংহের একাধিক ব্যক্তি।
তাদের কথা, এখন কষ্টটা বেশি হচ্ছে। ছেলেমেয়ের পড়াশোনার সমস্যা হচ্ছে। রোগীরা ঘুমাতে পারে না। ব্যবসা-বাণিজ্যেরও ক্ষতি হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, আশপাশের বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। এ কারণে লোডশেডিং চলছে। খুব সহজে এ অবস্থা থেকে মুক্তি মিলবে কি না, এ প্রশ্নের তাদের কোনো সদুত্তর নেই।
নগরীর ধোবাখলা এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন বললেন, দিনে যেমনতেমন, রাতে কারেন্ট গেলে আর ভালো লাগে না। গত রাতে খুব কষ্ট হয়েছে।
সানকীপাড়া এলাকার রুবেল চৌধুরী জানালেন, কতবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করেছে তার আর হিসাব নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সরকারি কর্মকর্তার মতে, রাতে ঘুমাতে না পারলে সকালে উঠতে কষ্ট হয়। আধো ঘুম নিয়ে অফিসে গেলে কাজে মনোযোগ কম আসে। আবার অফিসেও বিদ্যুৎ থাকে না।
ময়মনসিংহ গ্রিডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসদুল হক বললেন, তার আওতাধীন জোনে (৬ জেলা) ১৩০০ থেকে ১৪০০ মেগাওয়াটের মতো চাহিদা। কিন্তু গড়ে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার মেগাওয়াটের মতো। যে কারণে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না।





