দেশে গরু-মহিষ বেড়েছে, কমেছে ছাগল-ভেড়া

সংগৃহীত ছবি
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর চিত্রে দেখা যাচ্ছে মিশ্র প্রবণতা। সর্বশেষ হিসাবে গরু-মহিষের সংখ্যা বেড়েছে, তবে কমেছে ছাগল-ভেড়া। যদিও সার্বিকভাবে পশুর মোট প্রাপ্যতা চাহিদার চেয়ে বেশি থাকায় কোরবানির বাজারে স্বস্তির বার্তাই দিচ্ছে সরকার।
রবিবার (৩ মে) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
তিনি বলেছেন, এ বছর দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর প্রাপ্যতা দাঁড়াবে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি এবং অন্যান্য প্রজাতি রয়েছে ৫ হাজার ৬৫৫টি।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগীয় পর্যায়ের হিসাব ধরে এ বছর কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। সে হিসাবে দেশে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় পশুর ধরনভেদে ভিন্নতা তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশে গরু-মহিষের সংখ্যা ছিল ৫৬ লাখ ২ হাজার ৯০৫টি, যা এ বছর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টিতে। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ৯২ হাজার ৯৭৩টি গরু-মহিষ বেড়েছে।
অন্যদিকে ছাগল-ভেড়ার ক্ষেত্রে দেখা গেছে বিপরীত চিত্র।
২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০টি, যা ২০২৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টিতে। ফলে এক বছরে প্রায় ২ লাখ ৬ হাজার ৬১৩টি ছাগল-ভেড়া কমেছে।
গত বছর একই ধরনের তথ্য তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানিয়েছিলেন, দেশে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং উদ্বৃত্ত থাকবে।



