Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

তিস্তার ভাঙন

নদীগর্ভে ঘরবাড়ি গরুর গ্রাসে ধান

  • স্বপ্নের আমন ধান কেটে খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে
  • ভাঙনরোধে উদ্যোগ নেই
স্বপন চৌধুরী, রংপুর
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮
নদীগর্ভে ঘরবাড়ি গরুর গ্রাসে ধান

চোখের পলকে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি। বাধ্য হয়ে উঠতি আমন ধান কাটা হচ্ছে গরুর খাবার হিসেবে। রংপুরের গঙ্গাচড়ার জয়রামওঝা চল্লিশসাল এলাকা -আগামীর সময়

দেশে বর্ষা মৌসুম বিদায় নেওয়ার পথে। দম ধরেছে নদ-নদীর পানি। আর এর মধ্যেই তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন অববাহিকায়। ভাঙনে বিরান হচ্ছে একের পর এক এলাকা। নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন অবকাঠামো। তিস্তাপাড়েও একই অবস্থা। অব্যাহত ভাঙনে রংপুরের গঙ্গাচড়ার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের জয়রামওঝা চল্লিশসাল এলাকায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিলীন হয়েছে ১৮ পরিবারের ঘরবাড়ি। ভেঙে যাচ্ছে ফসলি জমি। কৃষক বাধ্য হয়ে স্বপ্নের আমন ধান কেটে খাওয়াচ্ছেন গবাদি পশুকে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভাঙনে একের পর এক ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি বিলীন হলেও তা ঠেকাতে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড।

গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র স্রোতে নদীরপাড় ভেঙে পড়ছে। ভাঙনের মুখে থাকা পরিবারগুলোর কেউ ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন, আবার কেউ শেষ মুহূর্তে ঘর রক্ষার চেষ্টা করছেন। কোথাও নদীগর্ভে চলে গেছে বসতভিটা, কোথাও রয়েছে ভাঙনের মুখে। অব্যাহত ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে প্রতিনিয়তই।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি তিস্তার পানি বাড়ার পর স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যায়। পরে পানি কমতে শুরু করলে স্রোতের গতিপথ জয়রামওঝা চল্লিশসাল চরের দিকে ধাবিত হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভাঙনের শিকার হয়েছে ওই চরের ১৮টি পরিবার। তারা হলেন— বাবর আলী, গোলাপী বানু, গোলজার হোসেন, নুর ইসলাম, মতিয়ার রহমান, আহাদ আলী, জহুরা বেগম, আসাদুল ইসলাম, আব্দুল হক, মইনুল ইসলাম, শাহ আলম, নজু মিয়া, মোন্নাফ আলী, আবুল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, দুলু মিয়া, নুরল ইসলাম ও নাজমুল হক। ভাঙন-আতঙ্কে তাদের মধ্যে অনেকে ঘরবাড়ি অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়েছেন। ওই এলাকায় এরই মধ্যে উঠতি আমন ধানসহ অন্তত ৫০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তারা।

ভাঙনের শিকার আসাদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কয়েক বছর ধরে জয়রামওঝা চল্লিশসাল চরে বসবাস করে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তারা। এবারের মূল বন্যায় তেমন ক্ষতি হয়নি। তবে হঠাৎ তিস্তার স্রোতের গতিপথ চরের দিকে পরিবর্তন হলে ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করে।

লক্ষ্মীটারী ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বললেন, কয়েক দিন ধরে চল্লিশসাল এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বেশ কয়েকটি পরিবারের বাড়িঘর ও আবাদি জমি ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তারা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তারের ভাষ্য, তিস্তার ভাঙনে বেশ কিছু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের সহায়তা দেওয়া হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বললেন, ‘বন্যার পর হঠাৎ করে ওই এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বিষয়টি। পরিস্থিতি দেখে ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তিস্তারংপুর
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে