সরাইল
ভাঙা সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

ছবি: আগামীর সময়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ভাঙা সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে যানবাহন ও পথচারী।
উপজেলার শাহবাজপুর-বুড্ডা সড়কের কুচনীর জরাজীর্ণ সেতুটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
কুচনী গ্রামের বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক, আওয়াল মিয়া, লায়েছ আহমেদ, সোহাগ মিয়া, নুর ইসলাম, প্রাণেশ দাস ও ফিরোজ মিয়া জানিয়েছেন, ১৯৮৬/৮৭ সালের দিকে নির্মিত সেতুটি বর্তমানে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। দুই বছরে সেতুর মূল অংশে ৩টি ভাঙন দেখা দিয়েছে। আগের দুটি ভাঙন স্থানীয়রা ঢালাই করে ঠেকাতে পারলেও নতুন করে আরও একটি ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সেতুর ওপর দিয়ে পারাপার হচ্ছে ইটভাটার ট্রাক্টর, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন ও পথচারী।
এ ছাড়া সেতুটির দুইপাশ ভেদ করে বটগাছ ঘিরে রেখেছে। এতেও সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ইটভাটার বেপরোয়া ট্রাক্টরের চলাচলের কারণে সেতুসহ সড়কের ক্ষতি হচ্ছে।
কুচনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুমা রানী দেব বলেন, বিদ্যালয়ের উত্তর দিকে জরাজীর্ণ সেতুটির ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীসহ পথচারী ও যানবাহন চলাচল করছে। যেকোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করে সুমা রানী সেতুটির সংস্কারের দাবি জানান।
নোঁয়াগাও ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অলি আহাদ মৃধা বলেন, এই ভাঙা সেতুটি পারাপারে ঝুঁকি জেনেও যানবাহন চলাচল করছে। সেতুটিকে বটগাছ ঘিরে এপ্রোচ নষ্ট করছে,পাঠাতন ভেঙে পড়ছে। পুরাতন জরাজীর্ণ সেতুটির সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
নোঁয়াগাও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনসুর আহমেদ বলেন, ৪০ বছর আগে নির্মিত এই জরাজীর্ণ সেতুটি মেরামত করা জরুরি, অন্যথায় যেকোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শাহবাজপুর-বুড্ডা সড়কের এই কুচনী সেতুটির ওপর দিয়ে নোঁয়াগাও ও শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭/৮টি গ্রামের লোকজন চলাচল করে। এ ছাড়া শাপলা বিলের ফসল পরিবহন করা হয় এই সেতুর ওপর দিয়ে।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছিবগাতউল্লাহ খন্দকার বলেন, সরাইলে নতুন এসেছি। শিগগিরই সেতুটির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।






