সেতু আর কতদূর, প্রশ্ন যানজটে আটকে পড়া যাত্রীর

ছবি: আগামীর সময়
ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে মির্জাপুর, করাতিপাড়া বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস, রাবনা বাইপাস ও এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই যানজট দেখা যায়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ঘরমুখো মানুষ
গাজীপুর থেকে মঙ্গলবার দিনগত রাত ২ টার দিকে রওয়ানা হলেও দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়েছেন প্রাইভেটকারের যাত্রী হুমায়ুন কবির। তার ভাষ্য, ‘সেতু আর কতদূর আল্লাহ জানেন। এরকম যানজট আগে হয়েছে কি না তা আমার জানা নেই। ঈদ এলেই এরকম পরিস্থিতি হয়।’
গার্মেন্টসকর্মী শরীফ বললেন, ‘নারায়ণগঞ্জ থেকে রাত ৮ টার দিকে বাসে উঠেছি। মহাসড়কের তীব্র যানজট দেখে গাড়ি থেকে নেমে আমরা কয়েকজন হাঁটতে শুরু করি। হাঁটতে হাঁটতে আমাদের বাস থেকে প্রায় সাত আট কিলোমিটার দূরে এসেছি আমরা। সামনে আর কতটুকু যানজট আছে সেটি দেখাই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। এরকম যানজট হলে আমরা কিভাবে রংপুর পৌঁছাব?’
এদিকে ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক, পিকআপ ও বাসের ছাদে করে বাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছেন অনেক যাত্রী।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন উল্লেখ করেন, রাতভর বৃষ্টি, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং বিভিন্ন স্থানে গাড়ি বিকল হওয়ার কারণে এই যানজট তৈরি হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মহম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, যানজট নিরসনে প্রায় ১ হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।







