Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

এসিল্যান্ড নেই, থমকে ভূমিসেবা

মো. সামিয়ান হাসান, বিয়ানীবাজার (সিলেট)
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৭
এসিল্যান্ড নেই, থমকে ভূমিসেবা

উপজেলা ভূমি অফিস বিয়ানীবাজার

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি যেন অস্থিরতার প্রতীক। একজন কর্মকর্তা যোগ দেন, অল্প সময়ের মধ্যেই বদলি বা প্রশিক্ষণে চলে যান। ফলে বছরের বড় একটি সময় গুরুত্বপূর্ণ এ পদটি কার্যত শূন্য থাকছে— যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের ওপর। নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, সরকারি জমির বন্দোবস্ত, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, জমির শ্রেণি পরিবর্তন, রেকর্ড সংশোধন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, হাটবাজার তদারকিসহ ব্যাহত হচ্ছে সরকারি কার্যক্রম।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মাসের পর মাস নামজারির আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়ায় জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা হস্তান্তর কিংবা ব্যাংক ঋণ— সবক্ষেত্রেই সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। ভূমি অফিসে এসে প্রয়োজনীয় সেবা না পেয়ে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন হতাশ হয়ে।

বিয়ানীবাজারে সর্বশেষ এসিল্যান্ড হিসেবে যোগ দেন আব্দুর রহমান। তবে হাতেগোনা কয়েক দিন অফিস করার সুযোগ পান তিনি। এরপর দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণে চলে যাওয়ায় কয়েক মাস ধরে পদটি কার্যত শূন্য।

এটি অবশ্য নতুন কোনো সমস্যা নয়; দীর্ঘদিন ধরেই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। এক যুগেবিয়ানীবাজারে দায়িত্ব পালন করেছেন অন্তত ১৫ জন এসিল্যান্ড। কিন্তু তাদের কেউই দীর্ঘসময় ছিলেন না এই উপজেলায়। অধিকাংশ কর্মকর্তা যোগ দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান।

তবে প্রশাসনের দাবি, সমস্যাটি সমাধানের জন্য নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা মজুমদারের ভাষ্য, ‘এসিল্যান্ড না থাকা এবং জনবল সংকটের বিষয়টি জানানো হয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে।’

তিনি মনে করেন, বর্তমান এসিল্যান্ড প্রশিক্ষণে রয়েছেন। প্রশিক্ষণ শেষে কাজে যোগ দিলে বিদ্যমান সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

বিয়ানীবাজারসিলেটএসিল্যান্ড
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise