Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

শুধু বেঁচে থাকার লড়াই নয়, সাকিরন ইচ্ছাশক্তির এক অনন্য উদাহরণ

যশোর প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ১৮:৪৪
শুধু বেঁচে থাকার লড়াই নয়, সাকিরন ইচ্ছাশক্তির এক অনন্য উদাহরণ

সংগৃহীত ছবি

যশোরের অভয়নগর উপজেলার সিংগাড়ি গ্রামের সাকিরন খাতুনের গল্পটি কেবল বেঁচে থাকার লড়াই নয়, বরং মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক অনন্য উদাহরণ। জন্ম থেকেই তার দুটি হাত নেই, তার জন্য জীবনটা হতে পারতো অন্যের ওপর নির্ভরশীলতার।

কিন্তু সাকিরন বেছে নিয়েছেন সংগ্রামের পথ। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে তিনি প্রমাণ করে চলেছেন যে, শরীর হার মানলেও মন যদি সাহসী হয়, তবে কোনো বাধাই জয় করা অসম্ভব নয়। দুই হাত নেই বলে সাকিরনের জীবনে কোনো জীবনসঙ্গী জোটেনি, গড়ে ওঠেনি নিজের সংসার। তবে এ নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। বর্তমানে তিনি ভাই ও বোনদের আশ্রয়ে থাকলেও কখনো কারো ওপর বোঝা হয়ে থাকতে চাননি।

অদম্য পথচলা শারীরিক সীমাবদ্ধতা সাকিরন খাতুনকে দমাতে পারেনি, বরং শিখিয়েছে প্রতিকূলতার বুকে দাঁড়িয়ে হাসতে। যশোরের অভয়নগর উপজেলার এই নারী গত ছয় দশক ধরে দুই পাকে হাতের মতো ব্যবহার করে জয় করেছেন জীবনের সব কঠিন চ্যালেঞ্জ। পা দিয়েই গৃহস্থালির সব কাজ করেন তিনি।

সাকিরন খাতুনের দিন শুরু হয় সাধারণ মানুষের মতোই, তবে তার কাজের ধরনটা ভিন্ন। তিনি পা দিয়ে বঁটি ধরে মাছ কাটেন, সবজি কোটেন এবং পরম নিপুণতায় রান্না সারেন। শুধু তাই নয়, এক সময় তিনি পা দিয়ে মাটি কাটার মতো কঠোর পরিশ্রমও করেছেন। এমনকি কাঁথা সেলাই থেকে শুরু করে ঢেঁকিতে ধান ভানা সবই করেছেন অবলীলায়।

সাকিরন খাতুন বলছিলেন, আল্লাহর রহমতে আমি পা দিয়ে সব করতে পারি। শুধু কাপড় পরা আর চুল বাঁধা বাদে বাকি সব কাজই নিজে করি।

তার ভাগনে আব্দুল আহাদ জানান, ছোটবেলা থেকেই তার খালার এই অবিশ্বাস্য কর্মক্ষমতা দেখে আসছেন। পরিবারের প্রতিটি সদস্য তাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার চোখে দেখেন।

বয়স এখন ষাটের কোটায়। এক সময়ের সেই তেজস্বী শরীর এখন বার্ধক্য আর অসুস্থতায় নুয়ে পড়েছে। বর্তমানে তিনি যে সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা পান, তা দিয়ে চিকিৎসার খরচ মেটানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যশোরপ্রতিবন্ধী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise