Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

নিহত তারেকের মেয়ের কান্নাজড়িত প্রশ্ন

বাবা তো এসেছে, কিন্তু কথা বলছে না কেন?

  • ক্ষেপনাস্ত্রের টুকরো আঘাতে নিহত তারেক
  • বাহরাইন থেকে লাশ এলো ৩২ দিন পর
চট্টগ্রাম অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৪৭
বাবা তো এসেছে, কিন্তু কথা বলছে না কেন?

নিহত তারেক আলী। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসে জীবন বাজি রেখে কাজ করা মানুষটির নাম এস এম তারেক আলী। স্বপ্ন ছিল, আগামী ঈদুল আজহার আগে দেশে ফিরবেন, মেয়ের সঙ্গে বসে হাসিমুখে ঈদ করবেন। কিন্তু সেই ফেরা আর হলো না জীবন্ত মানুষ হয়ে… ফিরলেন কফিনবন্দি নিথর দেহ হয়ে। ৩২ দিনের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে তার লাশ এলো চট্টগ্রামের বউবাজারে।

গত ২ মার্চ বাহরাইনের হিদ এলাকায় ‘এএসআরওয়াই’ শিপইয়ার্ডে কর্মরত অবস্থায় হঠাৎ ওপর থেকে এসে পড়ে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ। মুহূর্তেই সব শেষ। ৪৮ বছর বয়সী তারেক আলী সেখানেই হারিয়ে ফেলেন জীবনের সব আলো।

গতকাল শুক্রবার রাতে তার মরদেহ যখন চট্টগ্রামের বউবাজারে পৌঁছায়। তখন আর কোনো শব্দ ছিল না—ছিল শুধু কান্না, বুকফাটা আহাজারি আর অসহায় নীরবতা।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য ছিল তার একমাত্র মেয়ে তাসলিম তামান্নার কান্না। বাবার নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে বারবার বলছিল, ‘বাবা বলেছিল ঈদের সময় আসবে… বাবা এসেছে ঠিকই, কিন্তু কথা বলছে না কেন?’ এই একটি প্রশ্ন যেন উপস্থিত সবার হৃদয় ভেঙে দেয়। কারও চোখে জল আটকায়নি।

২৭ বছরের প্রবাসজীবন। একটি পরিবারের একমাত্র ভরসা ছিলেন তিনি। সন্দ্বীপের সন্তান তারেক আলী নিজের সব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে পরিবারকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু আজ সেই পরিবারই দিশেহারা। বউবাজারের ভাড়া বাসায় এখন শুধুই শূন্যতা আর অনিশ্চয়তা।

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। স্বজন, প্রতিবেশী, পরিচিত-অপরিচিত সবাই এসেছিলেন শেষবারের মতো দেখতে। প্রতিটি চোখে ছিল শোক, প্রতিটি মুখে ছিল নীরব প্রশ্ন এই মৃত্যুর দায় কে নেবে?

দীর্ঘ আইনি জটিলতা পেরিয়ে ৩২ দিন পর দেশে ফিরেছে তার মরদেহ। এই পথটাও ছিল কষ্টের, ছিল অপেক্ষার। অবশেষে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের উদ্যোগে তার লাশ দেশে আনা সম্ভব হয়।

জানাজায় উপস্থিত হয়ে সংসদ সদস্য তার মেয়ের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। বললেন, ‘তারেক আলী দেশের জন্য অবদান রেখে গেছেন। তার এই মৃত্যু অপূরণীয়। তার মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব আজ থেকে আমার।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানযুদ্ধপ্রবাসবাহরাইন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise