নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শিগগিরই চালু হচ্ছে ফুড ল্যাব: মেয়র শাহাদাত

সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রাম নগরবাসীর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিগগিরই সিটি করপোরেশনের ফুড ল্যাবরেটরির কার্যক্রম চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, আধুনিক যন্ত্রপাতির যথাযথ ব্যবহার ও নির্ভুল পরীক্ষার মাধ্যমে খাদ্যে ভেজাল এবং ক্ষতিকর উপাদান শনাক্ত করা সম্ভব।
আজ শনিবার দুপুরে নগরীর মুরাদপুরের বিবিরহাট এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ফুড ল্যাবে যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক উপকরণ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মেয়র। ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেনটিভ সার্ভিসেস প্রজেক্ট’ (আইইউপিএইচপিএসপি)-এর আওতায় এসব উপকরণ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় প্রকল্পের আওতায় নিয়োগ পাওয়া একজন মাইক্রোবায়োলজিস্ট ও দুজন অপারেটরও কাজে যোগ দেন।
পরিদর্শনকালে মেয়র ল্যাবের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং যন্ত্রপাতির কার্যক্ষমতা, নমুনা সংরক্ষণ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অবস্থা, সংরক্ষণব্যবস্থা, বিদ্যুৎ বিলসহ ল্যাব পরিচালনার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে কর্মকর্তাদের কাছে খোঁজ নেন।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ফুড ল্যাবটি সঠিকভাবে পরিচালিত হলে নগরবাসীর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফরমালিনসহ খাদ্যে থাকা ক্ষতিকর উপাদান শনাক্ত করতে নিয়মিত পরীক্ষা চালু রাখা জরুরি। ল্যাবে আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে, এখন সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফুড ল্যাবটি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি চসিকের রাজস্ব আয়ের একটি সম্ভাবনাময় উৎস হতে পারে। এ জন্য যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষ জনবলকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি।
মেয়র জানান, ফুড ল্যাবটি আধুনিকভাবে সাজিয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এরপর নাগরিকেরা খাদ্য পরীক্ষার জন্য ল্যাবটির সেবা নিতে পারবেন।
এ সময় ল্যাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক উপকরণের মেয়াদ যাচাই করে মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন মেয়র। পাশাপাশি ল্যাবের মজুত ও সরঞ্জামের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী সাফকাত বিন আমিন, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, আইইউপিএইচপিএসপি প্রকল্পের বিহেভিয়ার চেঞ্জ কমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট মো. এনামুল হক, মো. জাহিদ হোসেন ও রিয়াল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।



