পানিতে থৈ থৈ বন্দরের ইয়ার্ড, সাগরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ

সারিবদ্ধ করে রাখা কন্টেইনারভর্তি পণ্যের নিচের অংশ পানিতে ডুবে গেছে
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা বন্ধ আছে তিনদিন আগেই। বন্দরের ভেতর সংরক্ষিত এলাকার বেশ কটি ইয়ার্ডে পানি থৈ থৈ করছে। সারিবদ্ধ করে রাখা কন্টেইনারভর্তি পণ্যের নিচের অংশ পানিতে ডুবে গেছে। এতে বেশকিছু আমদানি পণ্য ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর এবং কুতুবদিয়া এলাকার গভীর সাগরে ৫০টি বড় জাহাজ থেকে পণ্য নামানো পুরোপুরি বন্ধ। এসব জাহাজে সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, অপরিশোধিত চিনি, পাথর, স্ক্র্যাপ বা লোহার টুকরো, কয়লা মিলে ২০ লাখ টন পণ্য আছে।
শিপ হ্যান্ডলিং, বার্থ অপারেটর এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সারোয়ার হোসেন সাগর বলছেন, সোমবার থেকে জাহাজের পণ্য নামানো পুরোপুরি বন্ধ। এসব জাহাজ থেকে দিনে ৫ লাখ টন পণ্য নামানো যায়।
বন্দর ইয়ার্ডে পানি জমায় দুই দিন ধরেই পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করতে পারছে না কাস্টমস। আর কায়িক পরীক্ষা না হওয়ায় এবং কাঙ্খিত পরিবহন না পেয়ে নির্ধারিত সময়ে পণ্য ডেলিভারি করতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। বৃষ্টির কারণে কন্টেইনার বন্দরে রাখার মাশুল গুনছেন আমদানিকারক।
সিঅ্যান্ডএফ এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক ইকবাল হোসেন রুবেল জানিয়েছেন, পণ্য ডেলিভারির জন্য যারা অনুমোদন নিয়েছিলেন সেগুলো বন্দর থেকে ডেলিভারি হয়নি। এই কারণে দুই দিন ধরে কন্টেইনার রাখার মাশুল গুনতে হচ্ছে।
ইউনিয়ন নেতা খায়রুল বাশার লিটনও বলছেন, পণ্যছাড়ের অনুমতিপ্রাপ্তরা গত দুই দিনে ১০ শতাংশ পণ্য ডেলিভারি নিতে পারেননি। বন্দরের ভেতরে বাইরে পানি জমেছে, ট্রাকস্ট্যান্ড ও চলাচলের সড়কে পানি। এতে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান সঠিক সময়ে আসতে পারছে না।





