Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

হাতে হাতে হাতপাখা, পাটিতে শীতলতার খোঁজ

চট্টগ্রাম অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৩২
হাতে হাতে হাতপাখা, পাটিতে শীতলতার খোঁজ

ছবি: আগামীর সময়

একটা শীতল পাটির দাম ৮ হাজার টাকা। শুনে চক্ষু চরকগাছ। কী আছে এই পাটিতে! চিকন পাতলা বেত দিয়ে বোনা হয়েছে এটি। গা জুড়ে রঙের কারুকাজ। পাটির বর্ডার বা সীমানা বেত দিয়ে মোটা করে বাঁধানো। নেত্রকোনার নারায়ণ নাথ ৭ ফুট লম্বা ও ৫ ফুট প্রস্থের এই পাটি বিক্রির জন্য এনেছেন জব্বারের বলীখেলা মেলায়।

এত দামের পাটি সাধারণের নাগালের বাইরে হলেও তীব্র গরম ও লোডশেডিংয়ের বাড়াবাড়িতে কদর বেড়েছে পাটির। পাটির সর্বনিম্ন দাম ৬০০ টাকা থেকে শুরু। সাধারণত সিলেটের শীতল পাটির কদর সবচেয়ে বেশি। কেসিদে সড়ক, মহল মার্কেটের পেছনের অংশটিতে মূলত বসেছে পাটির বাজার। সেই সঙ্গে হাতপাখার প্রতিও ছিল মানুষের আগ্রহ।

বাজারে হাতপাখা ও শীতল পাটির জমজমাট বেচাকেনা লক্ষ করা গেছে। এবারের মেলায় দেশীয় ঐতিহ্যের প্রতীক শীতল পাটি ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে ক্রেতাদের মধ্যে। শীতল পাটির রঙ মূলত শুকনো বেতের মতো। তবে তার ওপর সাদা, হালকা হলুদ, মেরুন, সবুজসহ নানা রঙে রাঙানো হয়। কিছু পাটিতে দেখা গেছে সূক্ষ্ম জ্যামিতিক নকশা ও ফুলের কাজ, যা ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। কারিগরদের দক্ষ হাতে তৈরি এসব পাটির গুণগত মানও প্রশংসনীয় বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

৩৫ বছর ধরে বলীখেলার মেলায় আসা নারায়ণ নাথ জানান, এখানে মূলত তিন ধরনের শীতল পাটি পাওয়া যাচ্ছে- সাধারণ পাটি, নকশা করা পাটি এবং সূক্ষ্ম মানের কারুকাজ পাটি। প্রতিটি পাটির গুণগত মান, রং এবং নকশার ভিন্নতার কারণে দামেও রয়েছে পার্থক্য। ছোট ও সাধারণ পাটির দাম শুরু হয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে, আর উন্নত মানের কারুকাজ করা পাটির দাম সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়।

শুধু নারায়ণ নয়, পাটি নিয়ে সিলেট থেকে এসেছে হারুনুর রশিদসহ আরও অনেকে। ঐতিহ্য, নান্দনিকতা ও ব্যবহারিক দিক মিলিয়ে শীতল পাটি এখনো গ্রামীণ শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ধরে রেখে এখনো হাতে তৈরি শীতল পাটির চাহিদা কমেনি। বরং নতুন ডিজাইন ও উন্নত মানের কারণে তরুণ প্রজন্মের মাঝেও এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে জানান শীতল পাটি ক্রেতা রুবিনা ইসলাম। তিনি সাধারণ মানের একটি পাটি কিনেছেন।

বিদ্যুতের ছলনায় এবার হাত পাখারও চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী। অবশ্য প্রতিবছর বলীখেলায় হাতপাখার কদর দেখা যায়। চাহিদার কারণে দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। প্রচার রয়েছে, চন্দনাইশের তালপাতার হাতপাখা সব সময় ভালো। একইভাবে বাঁশখালীর হাতপাখারও ব্যাপক চাহিদা।

চন্দনাইশ থেকে হাতপাখা বিক্রি করতে এসেছেন আনোয়ার। মান অনুযায়ী জোড়া ৪০০ থেকে ৯০০ টাকা। হাতপাখা মেলার সবখানেই পাওয়া যায়। অনেক বিক্রেতা ঘুরে ঘুরে বাতাস করতে করতে বিক্রি করেন হাত পাখা। মেলায় আগত অনেক দর্শনার্থীর হাতে দেখা যায় হাতপাখা।

হাতপাখা কিনছিলেন সুমাইয়া সুলতানা। তিনি জানান, প্রতিবছর মেলায় আসি হাতপাখা, ঝাড়ু আর বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য। এই মেলায় কম দামে হাতপাখা পাওয়া যায়, তাই একসঙ্গে ২ থেকে ৩ জোড়া নিয়ে যাই, যেন এক বছর চলা যায়।

আনুষ্ঠানিকভাবে আবদুল জব্বার স্মৃতি বলীখেলা উপলক্ষে বৈশাখী মেলা শুরু হয়েছে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল)। তবে বেচাকেনা দুদিন আগে থেকে চলছে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বিকেলের দিকে মেলায় ভিড় ছিল উপচেপড়া। আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা।

শীতল পাটিহাতপাখাপাটিতে শীতলতার খোঁজ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise