Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

জাহাজ আমদানি

৪৮ কোটি টাকা পাচারের দায়ে ব্যবসায়ীর ১১ বছরের কারাদণ্ড

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১৫:৪৮
৪৮ কোটি টাকা পাচারের দায়ে ব্যবসায়ীর ১১ বছরের কারাদণ্ড

প্রতীকী ছবি

বেসরকারি এবি ব্যাংকের প্রায় ৪৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের মামলায় চট্টগ্রামের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের এক মালিককে বিভিন্ন ধারায় মোট ১১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তাকে সমপরিমাণ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। স্ক্র্যাপ জাহাজ ও কাঁচামাল আমদানির নামে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

আজ রবিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দিয়েছেন।

দণ্ডিত গিয়াস উদ্দিন কুসুম চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকার তানহা স্টিল নামে একটি শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের মালিক। আসামি বর্তমানে পলাতক আছে।

মামলার নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ তানহা স্টিলের নামে গিয়াস উদ্দিন কুসুম ১৮ হাজার ৫৯৯ টন ওজনের একটি স্ক্র্যাপ জাহাজ আদমানির জন্য এবি ব্যাংকের জুবিলী রোড শাখায় ৬৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার একটি বৈদেশিক ঋণপত্র খোলেন। বৈদেশিক ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ না করায় এবি ব্যাংককে ২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা ফোর্সড লোন দিতে হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর ৫ হাজার ৪০২ টন লোহার প্লেট আমদানির জন্য ১৭ কোটি ৯৮ লাখ ৮৬ হাজার ৬০০ টাকার আরও একটি স্থানীয় ঋণপত্র খোলেন। সেই ঋণও তিনি পরিশোধ থেকে বিরত থাকেন।

এ অবস্থায় এবি ব্যাংকের কর্মকর্তারা ২০১৪ সালের ১২ মার্চ কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে জানতে পারেন, ব্যাংকের অজ্ঞাতে সব মালামাল গিয়াস উদ্দিন সরিয়ে নিয়েছেন। তিনি দেশ ছেড়ে গেছেন বলেও ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানতে পারেন। এ অবস্থায় উভয় ঋণের বিপরীতে সুদসহ তার কাছে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ৪৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮৫ টাকা।

পরিদর্শনের পরদিন এবি ব্যাংকের জুবিলী রোড শাখার ব্যবস্থাপক হাসান মাহমুদ নগরীর কোতোয়ালি থানায় গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে গিয়াসের সঙ্গে ওই ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুন্নবীকেও আসামি করা হয়। ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।

তিনটি আলাদা ধারায় আসামি গিয়াসকে সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন, ‘দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ৫ বছর করে ১০ বছর এবং ৪২০ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাকে জরিমানা দিতে হবে ৪৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৫ টাকা। আসামি পলাতক থাকায় সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাকে খালাস দিয়েছেন।

আসামি গ্রেপ্তারের সময় থেকে আলাদাভাবে দেওয়া প্রতিটি সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন পিপি মোকাররম হোসাইন।


জাহাজ আমদানিকারাদণ্ডব্যবসায়ী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise