চমেক হাসপাতাল
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

ছয় দফা দাবিতে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা রবিবার থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন। সারা দেশে আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ সকাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেও অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন প্রায় ৩০০ ইন্টার্ন চিকিৎসক।
আকস্মিক কর্মবিরতির কারণে চমেক হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে রোগী সামলাতে হিমশিম খেতে হয় চিকিৎসকদের। সরকারি চিকিৎসকদের পাশাপাশি ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালে রোগীদের সেবা দেওয়ার কাজটি এগিয়ে নেন। তিন হাজার শয্যার হাসপাতালটিতে চার হাজারের বেশি রোগী থাকে প্রতিদিন।
গত ১৯ মে এফসিপিএস প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত জারি করা একটা নোটিসকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। এর পর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ছয় দফা দাবি পেশ করেন। তাদের দাবির মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন অন্যতম। এ ছাড়া ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের সমমান করা ও বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো প্রণয়নও দাবির মধ্যে রয়েছে। সর্বশেষ দাবি হচ্ছে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ করা এবং এফসিপিএস ফি এক হাজার টাকা করা।
এসব দাবি আদায়ের জন্য দেশের প্রায় সব সরকারি মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মানববন্ধন, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছিলেন।
চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সভাপতি মো. সাকিব বলেছেন, দাবি মেনে না নেওয়ায় কেন্দ্রীয় সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা কর্মবিরতি শুরু করেছি। তা অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত চলবে।
কর্মবিরতি চলাকালে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন দুপুরে চমেক একাডেমিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে। এতে ইন্টার্ন ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাচের এমবিবিএস শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।




