Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় আপনি কি জানেন

এক বাড়ির ভেতরে আরেক বাড়ি!

সৈয়দ ফরহাদ
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১২:৪৭
এক বাড়ির ভেতরে আরেক বাড়ি!

এটি সত্যিই একটি বাড়ির ভেতরে আরেকটি বাড়ি!

বিশ্বজুড়ে অদ্ভুত স্থাপনার অভাব নেই। কোথাও পাহাড়ের গায়ে ঝুলে থাকা ঘর, কোথাও পানির ওপর ভাসমান বাড়ি। তবে ক্রোয়েশিয়ার ব্রাচ দ্বীপের ছোট্ট শহর বোল-এ এমন এক বাড়ি আছে, যা দেখলে প্রথমে চোখকেই বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। কারণ এটি সত্যিই একটি বাড়ির ভেতরে আরেকটি বাড়ি।
স্থানীয়দের কাছে এর নাম “কুচা উ কুচি”, অর্থাৎ ‘বাড়ির মধ্যে বাড়ি’। আবার অনেকে একে প্যালক নামেও চেনেন। শুধু অদ্ভুত নকশার জন্য নয়, এই বাড়ির পেছনে আছে এমন গল্প যা এই স্থাপনাকে কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে।

জেদি কৃষক বনাম ধনী পরিবার
ঘটনার শুরু উনিশ শতকে। বোল শহরে মার্কো নামে এক কৃষক বাস করতেন। জেদি এবং দৃঢ়চেতা মানুষ হিসেবে তাঁর বেশ পরিচিতি ছিল। তাঁর ছোট্ট পাথরের বাড়িটি ছিল এমন এক জায়গায়, যেটি নজরে পড়ে ধনী ভুকোভিচ পরিবারের।

ভুকোভিচ পরিবারের ছয় ভাইয়ের মধ্যে তিনজন ছিলেন পুরোহিত, আর তিনজন সমুদ্রযাত্রী জাহাজের অধিনায়ক। স্পেন ভ্রমণের সময় তারা স্প্যানিশ নারীদের বিয়ে করেন এবং পরিবার নিয়ে থাকার জন্য বোলে একটি বিশাল প্রাসাদ নির্মাণের পরিকল্পনা করেন। কিন্তু সেই পরিকল্পনার মাঝখানেই দাঁড়িয়ে ছিল মার্কোর ছোট্ট বাড়ি।

ভুকোভিচরা মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে বাড়িটি কিনতে চাইলেও মার্কো কোনোভাবেই রাজি হননি। বিরোধ বাড়তে থাকে। এমনকি স্থানীয় মেয়রও তাঁকে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু মার্কো অনড় থাকেন।

ভুকোভিচরা মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে বাড়িটি কিনতে চাইলেও মার্কো কোনোভাবেই রাজি হননি। ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি

একপর্যায়ে মার্কোকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়। সেই সুযোগে ভুকোভিচ পরিবার এক অভিনব কৌশল নেয়। তারা মার্কোর বাড়ি ভাঙার বদলে সেটিকে ঘিরে বিশাল প্রাসাদের দেয়াল তুলতে শুরু করে। অর্থাৎ ছোট্ট বাড়িটি থেকে যায়, আর তার চারপাশে গড়ে উঠতে থাকে নতুন অট্টালিকা।

গানপাউডার, ঝড় আর অসমাপ্ত প্রাসাদ
খবর পেয়ে মার্কো ফিরে আসেন। কথিত আছে, তিনি চার পিপে গানপাউডার নিয়ে এসে নির্মাণাধীন ভবন উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও করেছিলেন। কিন্তু ধরা পড়ে যাওয়ায় আবার পালাতে হয় তাঁকে।
এদিকে প্রাসাদের কাজ প্রায় শেষের দিকে। ছাদ নির্মাণের উপকরণ আনতে ভুকোভিচ পরিবারের তিন ভাই ভেনিসে রওনা হন। কিন্তু ফেরার পথে ভয়াবহ ঝড়ে তাঁদের জাহাজ ডুবে যায়। তিন ভাইই প্রাণ হারান। উত্তরাধিকারী না থাকায় নির্মাণকাজও চিরতরে থেমে যায়।

অবশেষে মার্কো ফিরে এসে নিজের ছোট্ট বাড়িতেই জীবনের বাকি সময় কাটান—তবে সেটি তখন আর আগের মতো ছিল না। চারদিকে দাঁড়িয়ে ছিল অসমাপ্ত প্রাসাদের বিশাল দেয়াল।

আজও দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের সাক্ষী
আজও সেই বাড়িটি দাঁড়িয়ে আছে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় একটি অর্ধসমাপ্ত প্রাসাদ, কিন্তু তার বুকের ভেতর লুকিয়ে আছে আরেকটি ছোট্ট ঘর। বাইরে থেকে বড় ভবনের জানালার ফাঁক দিয়ে দেখা যায় ভেতরের সেই পুরোনো বাড়ির অংশ।
বর্তমানে ‘প্যালক’ ক্রোয়েশিয়ার একটি সংরক্ষিত সাংস্কৃতিক নিদর্শন। রাতে আলোকসজ্জার মাধ্যমে এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হয়। বোল শহরে আসা পর্যটকদের কাছে এটি এখন অন্যতম কৌতূহলের কেন্দ্র। 
সূত্র: বিওএল ক্রোয়েশিয়া ডট কম, অডিটি সেন্ট্রাল, টোটাল ক্রোয়েশিয়া 

বাড়ির ভেতর বাড়িক্রোয়েশিয়ারহস্যবিস্ময়স্থাপত্যবাড়িমার্কোভুকোভিচ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise