সাবেক মার্কিন কর্মকর্তার দাবি
ইরানের প্রস্তাব মেনে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

সংগৃহীত ছবি
আলোচনার টেবিলে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ অন্যান্য নীতিনির্ধারকরা। বিষয় যুদ্ধ বন্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সংক্রান্ত ইরানের দেওয়া প্রস্তাব।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘নিশ্চিত করছি আমি, আজ সকালে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। বৈঠকটি এখনো চলছে কি না, তা নিশ্চিত নই। তবে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে চলেছে বিস্তারিত আলোচনা।’
এর আগে চলমান যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে ওয়াশিংটনের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে এতে শর্ত জুড়ে দিয়েছে দেশটি; পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিতর্কিত আলোচনাগুলো এ মুহূর্তে নয়, তা করা হবে ভবিষ্যতে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই ছিলেন অনড় অবস্থানে, কোনোভাবেই ইরানকে দেওয়া হবে না পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ। তবে মুখপাত্র লেভিট জানাচ্ছিলেন, ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমাগুলো জানিয়ে দেওয়া হয়েছে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে। এই বৈঠক শেষে পুনরায় বিমান হামলার নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প। অথবা নতুন কোনো প্রতিনিধি দলকে আলোচনার জন্য পাঠাতে পারেন পাকিস্তান।
এদিকে ইরানের প্রস্তাবটি সম্ভবত ট্রাম্প প্রশাসন গ্রহণ করবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা হেনরি এস এনশার। ‘আমার ধারণা, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি সেদিকেই যাবে। আলাদা সময়সূচিতে নেওয়া হতে পারে পারমাণবিক আলোচনা। কিন্তু হরমুজ প্রণালির বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।’
কোনো শর্ত ছাড়াই হরমুজ খুলে দেওয়া ইরানের জন্য একটি ‘কৌশলগত বিজয়’—যোগ করেছেন তিনি।
বর্তমান অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন এই সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা।



