Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে তাসলিমা
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন

হাতির দুর্গে গাধার হানা?

  • সিনেটে পরাজয়ের সম্ভাবনা রিপাবলিকানদের অস্থিরতায় ট্রাম্প
মনোয়ারুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৫
শেয়ার করুন:
হাতির দুর্গে গাধার হানা?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

দুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। ৩ নভেম্বর। হাতি-গাধার (রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতীক) চূড়ান্ত লড়াই। ক্ষমতা দখলের এ ভোটযুদ্ধে এবার উল্টে যেতে পারে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলের চেনা সমীকরণ। সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে নির্বাচনবিষয়ক সর্বশেষ পূর্বাভাস ও জরিপগুলো। সমীক্ষা বলছে, সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাতে চলেছে রিপাবলিকানরা (হাতি)। সিনেটের ১০০ আসনের বর্তমান চিত্র হলো— ৫৩-৪৭। এর মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র বাদ দিলে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির দখলে ৪৫ জন সিনেটর। উচ্চকক্ষের বিরাট এ ব্যবধান ঘুচিয়ে প্রায় ৭১ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে সিনেটের মসনদ দখলের দ্বারপ্রান্তে ডেমোক্র্যাটরা। হাতির সুরক্ষিত দুর্গে গাধার এই আকস্মিক হানা ক্ষমতাসীনদের একচ্ছত্র আধিপত্যকে ভেঙে চুরমার করে দেবে। যার প্রভাব পড়বে হোয়াইট হাউজের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণীতে।

সিনেটে রিপাবলিকান স্টেটগুলোয় হারার পূর্বাভাসে এরই মধ্যে বিচলিত হয়ে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জনপ্রিয়তায় ধস নামায় সংশ্লিষ্ট স্টেটগুলোর প্রার্থীরা তাকে নির্বাচনী প্রচারণায় চাচ্ছেন না। বিষয়টি বুঝতে পেরে কানসাস, আইওয়া ও মেইন অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী সভা বাতিল করেন গত বৃহস্পতিবার। এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার নির্বাচনী সভার আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন।

ডেমোক্র্যাটদের প্রয়োজন ৪, জরিপে এগিয়ে ৭টি আসনে

সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে নির্বাচন হচ্ছে। এর মধ্যে ২২টি আসন রয়েছে রিপাবলিকানদের দখলে। আর ১৩টি আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় সিনেটররা। নিজেদের আসনে বিজয় ধরে রেখে রিপাবলিকানদের ২২টি আসনের মধ্যে ৪টিতে জয় লাভ করলেই ডেমোক্র্যাটরা সিনেটে মেজরিটি দলে পরিণত হবে। অর্থাৎ তাদের আসন সংখ্যা হবে ৫১টি। বর্তমানে তাদের ৪৭টি আসন রয়েছে। সর্বশেষ জরিপে রিপাবলিকানদের দখলে থাকা ছয়টি সিনেট আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। গত ৩০ বছরের মধ্যে এই প্রথম টেক্সাসে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী টালারিকোরয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্যানসাসে গত ৯৪ বছরের মধ্যে এবার ডেমোক্রেটিক প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ভোটারদের অসন্তোষ, ইরান যুদ্ধ এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো এমন সব অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী লড়াইকে তীব্র করে তুলেছে, যা আগে পুরোপুরি রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এই আসনগুলো হচ্ছে ক্যানসাস, নর্থ ক্যারোলিনা, আলাস্কা, ওহাইও, মেইন, আইওয়া ও টেক্সাস।

আলাস্কা

রিপাবলিকান সিনেটর ড্যান সুলিভান পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে নেমেছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন ডেমোক্র্যাট দলের সাবেক মার্কিন প্রতিনিধি মেরি পেলটোলা।

অক্টোবর মাস পর্যন্ত পেলটোলা তহবিল সংগ্রহের দিক থেকে সুলিভানের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন; তিনি সংগ্রহ করেছেন ৩৩ মিলিয়ন ডলার, যেখানে সুলিভানের সংগ্রহ প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। তবে প্রচারণার জন্য হাতে থাকা নগদ অর্থের (ক্যাম্পেইন ক্যাশ) দিক থেকে সুলিভান এগিয়ে আছেন। তার কাছে আছে ৫ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার, আর পেলটোলার কাছে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে ট্রাম্প আলাস্কায় ১৩ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন, কিন্তু সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো বলছে, সুলিভানের চেয়ে পেলটোলা সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।

আইওয়া

ট্রাম্পের অজনপ্রিয়তা, শুল্কনীতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে আইওয়াতে রিপাবলিকানরা রক্ষণাত্মক অবস্থানে রয়েছে। অথচ ২০২৪ সালে ট্রাম্প এখানে ১৩ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। রিপাবলিকান সিনেটর জনি আর্নস্ট আবার নির্বাচনে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায়, এ আসনটি এখন উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রিপাবলিকান প্রতিনিধি অ্যাশলি হিনসন এবং ডেেমাক্র্যাটদলীয় প্রতিনিধি জশ টুরেক। তিনি দুবারের প্যারালিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী।

কানসাস

কানসাসের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ডেমোক্রেটিকদের অনুকূলে এতটাই পরিবর্তিত হয়েছে, এখন এখানেও জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রিপাবলিকানরা নর্থ ক্যারোলিনা থেকে সম্পদ সরিয়ে এনে সিনেটর রজার মার্শালকে সহায়তা করছে। মার্শাল সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় তার রাজ্যে ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’-এর কার্যক্রমের সমালোচনা করেছেন। এখানে রিপাবলিকান প্রার্থী রজার মার্শাল। ডেমোক্রেটিক প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিল্টন।

২০২৪ সালে ট্রাম্প কানসাসে ১৬ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন, কিন্তু এই অঙ্গরাজ্যটি দুবার ডেমোক্রেটিক গভর্নর লরা কেলিকে নির্বাচিত করেছে। রিপাবলিকান নেতারাও স্বীকার করেছেন, এ নির্বাচনী লড়াইটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং তাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি হাড্ডাহাড্ডি।

সর্বশেষ ১৯৩২ সালে কানসাসের ভোটাররা কোনো ডেমোক্র্যাটকে মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত করেছিলেন। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোয় হ্যামিল্টনকে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ৯৪ বছর পর সিনেট সিটে ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মেইন

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ডেমোক্র্যাটদের জন্য আসন জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সিনেটর সুসান কলিন্স আবার লড়ছেন। ডেমোক্রেটিক প্রার্থী ট্রয় জ্যাকসন। এই অঙ্গরাজ্যে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প কমলা হ্যারিসের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।

হিনসন ইরান যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন, এর ফলে আইওয়ার বাসিন্দাদের জ্বালানি বা নিত্যপণ্যের জন্য বাড়তি দাম দিতে হওয়া উচিত নয়। তবে কংগ্রেসের ভেতরে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবগুলোর বিপক্ষে তিনি বারবার ভোট দিয়েছেন।

টুরেক তহবিল সংগ্রহের ক্ষেত্রে হিনসনের চেয়ে এগিয়ে আছেন; তিনি সংগ্রহ করেছেন ২ কোটি ডলার, আর হিনসনের সংগ্রহ ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাতে থাকা নগদ অর্থের হিসেবে হিনসন এগিয়ে আছেন— তার কাছে আছে ৩০ লাখ ডলার বেশি। এ ছাড়া রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে; রিপাবলিকানদের ব্যয় ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার, আর ডেমোক্র্যাটদের ব্যয় ৭ কোটি ডলার। সাম্প্রতিক জরিপগুলো বলছে, হিনসন সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।

নর্থ ক্যারোলিনা

মনে হচ্ছে রিপাবলিকানরা নর্থ ক্যারোলিনাকে হাতছাড়া করে ফেলেছে। রিপাবলিকানরা সম্ভবত নর্থ ক্যারোলিনায় পরাজয় মেনে নিয়েছেন। এমনকি ট্রাম্প নিজেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জয়ী হবেন। গত সপ্তাহে গ্রিনভিলে আয়োজিত এক নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প তার সমর্থকদের বলেছেন, এটি অত্যন্ত অদ্ভুত যে, সাবেক গভর্নর রয় কুপার—যিনি একজন ডেমোক্র্যাট— তাদের পরবর্তী সিনেটর হতে যাচ্ছেন।

ওহাইও

ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন, যিনি ২০২৪ সালে তার আসনটি হারিয়ে ছিলেন। তিনি আবারও সিনেটে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। ইরান যুদ্ধ এবং নিত্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে যে হতাশা রয়েছে, তা সম্ভবত তার পক্ষে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এবারের নির্বাচনে ব্রাউনের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন মার্কিন সিনেটর জন হাস্টেড। জেডি ভ্যান্স সিনেট ছেড়ে হোয়াইট হাউজে (ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে) যোগ দিলে, তার শূন্য আসনে জন হাস্টেডকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এই বিশেষ নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীকে ২০২৮ সালে পূর্ণ ছয় বছরের মেয়াদের জন্য আবারও ব্যালটে লড়তে হবে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো বলছে, ব্রাউন ৩ থেকে ৫ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।

টেক্সাস

১৯৯৪ সালের পর থেকে টেক্সাসে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী রাজ্যব্যাপী নির্বাচনে জয়ী হননি। তবে স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ জেমস টালারিকো এই ধারার পরিবর্তন ঘটাতে পারেন। তাহলে ৩২ বছরের মধ্যে তিনিই হবেন প্রথম ডেমোক্রেটিক সিনেটর। কনজারভেটিভ বা রক্ষণশীল মতাদর্শের দিকে ঝুঁকে থাকা এই বিশাল অঙ্গরাজ্যে টালারিকোর প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এ অঙ্গরাজ্যটি বারবার ডেমোক্র্যাটদের প্রত্যাশাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। ২০২৪ সালে টেক্সাসে ট্রাম্প প্রায় ১৪ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। এরপরও, রিপাবলিকানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী এই আসনটি ধরে রাখতে এরই মধ্যে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। দ্বিতীয় দফার ভোটের মাধ্যমে রিপাবলিকানরা বিতর্কিত ও কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত প্যাক্সটনকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয়, যিনি বর্তমান রিপাবলিকান মার্কিন সিনেটর জন কর্নিনকে পেছনে ফেলে মনোনয়ন পান। যদিও মনে করা হচ্ছিল, কর্নিনের জয়ের পথ অনেক সহজ ছিল, তবুও ট্রাম্প প্যাক্সটনকেই সমর্থন দিয়েছিলেন। এই নির্বাচনী লড়াইয়ে ডেমোক্রেটিক গোষ্ঠীগুলো ৭৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। তবে টালারিকোর প্রচারণা দল প্যাক্সটনের চেয়ে ১১০ মিলিয়ন ডলার বেশি তহবিল সংগ্রহ করেছে এবং ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের তহবিলে প্যাক্সটনের তুলনায় ৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার বেশি অর্থ জমা ছিল। প্যাক্সটনের দাতাদের তালিকায় অন্যতম রয়েছেন বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী, টালারিকো সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন অথবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সঙ্গে সমানে সমান অবস্থানে রয়েছেন।

ব্যালট আটকে রাখতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টা আদালতে প্রত্যাখ্যান

মেইল ব্যালট (ভোট) গণনা স্থগিত রাখার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন ৩০ অক্টোবর খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এ আবেদনকে জনগণের ভোটাধিকার হারানোর ঝুঁকি আখ্যায়িত করে ক্যালিফোর্নিয়ায় ভোট গণনা বন্ধের ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টা আদালতের প্রত্যাখ্যান করেছে। এতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ডাকযোগে আসা ২০ হাজারেরও বেশি ভোটারের ব্যালট গণনা বন্ধ করার আবেদন ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, এই ভোটাররা হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন। এই রায় ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক দিন আগে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে একটি বড় আইনি লড়াইয়ের পথ তৈরি করতে পারে। এই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল কংগ্রেসের উভয় কক্ষে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াইয়ে নেমেছে। বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে একটি অন্তর্বর্তী আদেশের আবেদন জানানো হয়েছিল, যাতে মামলা চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ভোট গণনা বন্ধ রাখা যায়। তবে নবম সার্কিট আপিল আদালতের একটি প্যানেল ২-১ ভোটে এই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মার্কিন সার্কিট বিচারক মার্ক বেনেট এবং গ্যাব্রিয়েল সানচেজ রায়ে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকারের চাওয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে যোগ্য ভোটারদের ভোটাধিকার হারানোর একটি বড় ঝুঁকি তৈরি হবে।’ এই রায়ের মধ্যদিয়ে আইনি লড়াইয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের আরেকটি পরাজয় ঘটল। ক্যালিফোর্নিয়া ডেমোক্রেটিক দলের একটি শক্তিশালী ঘাঁটি। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে অন্য যেকোনো অঙ্গরাজ্যের তুলনায় এখানে সবচেয়ে বেশি ৫২টি আসন রয়েছে।

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প তার অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন ক্যালিফোর্নিয়াকে। তিনি অভিযোগ করেছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার ‘স্যাংকচুয়ারি স্টেট’ (অভিবাসী সুরক্ষাকারী অঙ্গরাজ্য) নীতি ফেডারেল অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতাকে সীমিত করে। তা নাকি জননিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনহাতির দুর্গেগাধার হানাসিনেটপরাজয়রিপাবলিকানট্রাম্প
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো দীপকে

    তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো দীপকে

    এইচএসসির খাতা দেখা হয়েছে নির্মোহভাবে, ভাষ্য সরকারের

    এইচএসসির খাতা দেখা হয়েছে নির্মোহভাবে, ভাষ্য সরকারের