গাজামুখী ফ্লোটিলায় ইসরায়েলের গুলি

সংগৃহীত ছবি
গাজামুখী ত্রাণবাহী নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায়’ আবার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলী বাহিনী। সাইপ্রাসের নিকটতম আন্তর্জাতিক জলসীমায় মঙ্গলবার অর্ধশত নৌযান আটকের পাশাপাশি চার শতাধিক ফিলিস্তিনপন্থী অধিকারকর্মীকে আটক করেছে। ফ্লোটিলার অয়োজকদের অভিযোগ, দুটি জাহাজে এদিন গুলিও চালিয়েছে বাহিনীটি। তাদের প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজেও উঠে এসেছে গুলির দৃশ্য। তেল আবিব এ দাবি অস্বীকার করে বলেছে, তারা গুলি করেনি এবং কেউ হতাহত হননি। খবর রয়টার্সের।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার জাহাজগুলো গত বৃহস্পতিবার তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল থেকে যাত্রা শুরু করে। এবারের বহরে থাকা ৪০টির বেশি দেশের ৫০টি নৌযানই আটক করেছে ইসরায়েল। ৪৩০ জন অংশগ্রহণকারীর ৭৮ জনই তুরস্কের নাগরিক। আটক অনেকে বুধবার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর আশদদে পৌঁছেছেন।
গত এপ্রিল মাসের শেষদিকে গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদের একটি নৌবহর গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় আটকে দিয়েছিল ইসরায়েল। পরে তুরস্ক থেকে নতুন বহরে গাজায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছিল ফ্লোটিলা। মঙ্গলবার নিজেদের সমুদ্রযাত্রা সরাসরি সম্প্রচার করছিল সুমুদ ফ্লোটিলা। এতে দেখা যায়, দুটি নৌযানে গুলি ছুড়ছেন ইসরায়েলি কমান্ডোরা। তবে কী ধরনের গুলি ব্যবহার করা হয়েছে, ভিডিওতে তা স্পষ্ট নয়।
সোমবার গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা জানায়, গাজা থেকে প্রায় ২৫০ নটিক্যাল মাইল (৪৬০ কিমি) দূরে তাদের বহরে ‘অবৈধ আগ্রাসনের’ মাধ্যমে চালানো হচ্ছিল অভিযান। এই এলাকা ইসরায়েলের আরোপিত সামুদ্রিক অবরোধের অধীনে রয়েছে। ফ্লোটিলার ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আটক করা হয়েছে বহরের সব নৌযান।






