Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে তাসলিমা
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

ইসরায়েলি গুলির ভয়ে স্কুলে যেতে চায় না গাজার শিশুরা

আল জাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০২
শেয়ার করুন:
ইসরায়েলি গুলির ভয়ে স্কুলে যেতে চায় না গাজার শিশুরা

১৪ বছর বয়সী মোহাম্মদের ছবি ও স্কুলের সনদ হাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাবা রিয়াদ হামাদ। ছবি: আল জাজিরা

গাজায় প্রায় তিন বছর ধরে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম আবার চালু হয়েছে। অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ ও তাঁবুতে ফিরতে শুরু করেছে শিশু শিক্ষার্থীরা। কিন্তু স্কুলে যাওয়া-আসার পথেও নিরাপত্তা নেই। ইসরায়েলি হামলা ও গুলিতে হতাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো নিয়ে দ্বিধায় পড়েছেন অনেক অভিভাবক।

গত ১৭ অক্টোবর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয় ১৪ বছর বয়সী মোহাম্মদ হামাদ। গাজার আল-বারাকা মহল্লা দিয়ে ছোট ভাই ১০ বছর বয়সী আবদুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছিল সে। হামলায় মোহাম্মদসহ এক ব্যক্তি নিহত হন। বেঁচে যায় আবদুল্লাহ।

মোহাম্মদ ছিল রিয়াদ হামাদের তৃতীয় সন্তান। অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী ক্লাসের মেধাবীদের একজন ছিল। ছেলের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না ৪৪ বছর বয়সী বাবা।

দেইর আল-বালাহে পরিবারের তাঁবু থেকে আল-জাজিরাকে রিয়াদ হামাদ বলেন, ‘সে শুধু আমার ছেলে ছিল না, আমার বন্ধুও ছিল। পড়াশোনায় সে খুব ভালো করছিল। আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন।’

মোহাম্মদের মৃত্যু ছোট ভাই আবদুল্লাহর মনেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। এখন সে স্কুলে যেতে ভয় পায়। হামাদ বলেন, ‘আগে দুই ভাই প্রতিদিন একসঙ্গে স্কুলে যেত, একসঙ্গে ফিরত। এখন একা যেতে হবে, বিষয়টি সে মেনে নিতে পারছে না।’

সন্তানদের এমন ভয়ের মধ্যে বড় হতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হামাদ। তার কথায়, ‘যথেষ্ট হয়েছে। সন্তানের কাঁধে বাবার লাশ বহন করার কথা, বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ নয়। তারা সবকিছুর স্বাভাবিক নিয়ম উল্টে দিয়েছে।’

যুদ্ধবিরতির পরও হামলা, নিহত ১০ শিশু

গাজায় গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েলি বিমান হামলা ও স্নাইপারদের গুলিবর্ষণ বন্ধ হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ৫৭৪ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ৬৮৭ জন আহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে প্রায় তিন বছর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত থাকার পর গত ১৯ সেপ্টেম্বর গাজায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়। তবে স্কুল চালু হওয়ার পরও হামলার ঝুঁকি কমেনি।

আরও পড়ুন

ইরানের সাত শর্ত মানতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের ইঙ্গিত

০১ নভেম্বর ২০২৬

গত রোববার গাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবরের মধ্যে ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী ১০ শিশু এবং একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। ২১ অক্টোবর সকালে জাবালিয়ার মুরাদিয়া স্কুলে প্রাত্যহিক সমাবেশের সময় দুই ছাত্রী আহত হয়। একই দিন গাজা সিটির ইসলামিক ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে হামলায় আরও পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শিক্ষার্থী, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছাকাছি স্কুলে বেশি ঝুঁকি

গাজার তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছাকাছি স্কুলগুলোতে ঝুঁকি আরও বেশি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে গাজার ভূখণ্ডকে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ভাগ করতে এই সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সীমারেখাটি পশ্চিম দিকে সরে যাওয়ায় গাজার ৬৫ শতাংশের বেশি এলাকা এখন ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। এক বছর আগে চুক্তিতে এই নিয়ন্ত্রণের পরিমাণ ছিল ৫৩ শতাংশ।

‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছাকাছি এলাকায় অন্তত ৬৬ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। এই এলাকার আশপাশ দিয়ে যাতায়াত করা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ইসরায়েলি স্নাইপারদের গুলি ও বোমা হামলার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

গত ২১ অক্টোবর চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সুয়াদ আবদ রাব্বো স্কুলে গিয়েছিল বই ও ব্যাগ নিয়ে। কিছুক্ষণ পর তার বড় বোন বাড়িতে ছুটে এসে জানায়, সুয়াদ গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

সুয়াদের মা আলিয়া আবদ রাব্বো আল-জাজিরাকে বলেন, ‘আমি খালি পায়ে দৌড়ে বেরিয়ে যাই। মেয়েকে দেখে কী করব বুঝতে পারছিলাম না। সে রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁদছিল ও চিৎকার করছিল।’

সুয়াদের হাঁটুর ওপরের অংশে গুলি লাগে। গুলিটি তার স্নায়ু ও টেনডনের কাছাকাছি সংবেদনশীল স্থানে আটকে যায়। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান, গুলি বের করার চেষ্টা করলে সে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হতে পারে। অস্ত্রোপচার করেও গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। এখনো সেটি তার পায়ের ভেতরে রয়ে গেছে।

স্কুলের ভেতরেও গুলির আতঙ্ক

সুয়াদের সঙ্গে একই দিন আহত হয়েছিল পঞ্চম শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী আমিনা খাদর। ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুরাদিয়া স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রাত্যহিক সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক নাইম আলুশ আল-জাজিরাকে বলেন, ‘মেয়েরা দুই সারিতে দাঁড়িয়েছিল। হঠাৎ একজন চিৎকার করে মাটিতে পড়ে যায়। তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক মেয়ের শরীরেও গুলি লাগে।’

শিক্ষকরা দ্রুত ছাত্রীদের কাছে ছুটে যান। তারা দেখতে পান, সুয়াদ গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমিনার পেটেও গুলি লাগে। তবে তার আঘাত ছিল সামান্য।

গুলির ঘটনায় স্কুলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সন্তানদের নিতে স্কুলে ছুটে আসেন অভিভাবকরা। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা শিক্ষার্থীরাও ভীত হয়ে পড়ে। পরবর্তী কয়েক দিনে স্কুলে অনুপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

প্রধান শিক্ষক নাইম আলুশ বলেন, স্কুলটির আশপাশে নিরাপত্তাঝুঁকি দীর্ঘদিনের। জাবালিয়া আল-বালাদের পশ্চিমে আল-ঘুবরি এলাকায় অবস্থিত স্কুলটিতে ২০টি অস্থায়ী শিক্ষার তাঁবু রয়েছে। আশপাশের এলাকার প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করে। স্কুলটি ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছাকাছি।

আলুশের ভাষ্য, ইসরায়েলি কামান, কোয়াডকপ্টার ড্রোন ও স্নাইপারদের ছোড়া গুলি কিংবা বিস্ফোরক প্রায়ই স্কুলে এসে পড়ে।

গাজাশিক্ষা কার্যক্রমশিশু হত্যা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো দীপকে

    তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো দীপকে

    এইচএসসির খাতা দেখা হয়েছে নির্মোহভাবে, ভাষ্য সরকারের

    এইচএসসির খাতা দেখা হয়েছে নির্মোহভাবে, ভাষ্য সরকারের