Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ইউরোপ

মৃত্যুদণ্ড আইন

ইসরায়েলের বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে পিটিশন, স্বাক্ষর ছাড়াল ১ লাখ

যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:২৪
ইসরায়েলের বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে পিটিশন, স্বাক্ষর ছাড়াল ১ লাখ

সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে ইসরায়েলের মৃত্যুদণ্ড আইন। এই আইন নিয়ে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। ব্রিটিশ নাগরিকদের মাঝেও চলছে তুমুল গণক্ষোভ। এরইমধ্যে এই আইনের বিপক্ষে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে এক লাখের বেশি সাক্ষরসহ পিটিশন জমা পড়েছে যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে।

মার্চের শেষ সপ্তাহে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে পাস হওয়া এই আইন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক আদালতে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ড কার্যত নির্ধারণ করা হয়েছে ডিফল্ট শাস্তি হিসেবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, এই আইন মূলত প্রণীত হয়েছে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে এবং এতে ইসরায়েলি নাগরিকদের রাখা হয়েছে আওতার বাইরে। অধিকৃত পশ্চিম তীরে পরিচালিত ইসরায়েলি সামরিক আদালতগুলোয় শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের বিচার করা হয়, ইসরায়েলিদের নয়– যা বৈষম্য ও ন্যায্য বিচারের প্রশ্ন তুলছে।

চূড়ান্ত ভোটের আগেই গত বছরের শেষদিকে চালু হওয়া পিটিশনে বলা আছে, ‘এ ধরনের আইন জেনেভা কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সরাসরি লঙ্ঘন। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে এই প্রস্তাব প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।’

পিটিশনে আরও বলা হয়, আইনটি কার্যকর হওয়া ঠেকাতে যুক্তরাজ্য সরকারকে ‘গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সব ধরনের কূটনৈতিক প্রভাব কাজে লাগাতে হবে।’ এক লাখ স্বাক্ষরের সীমা অতিক্রম করায় যুক্তরাজ্যের সংসদ এখন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে বাধ্য, যা দেশটির জনমতের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আইনটিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে চরম মৃত্যুদণ্ড আইনগুলোর একটি’ অভিহিত করে বলেছে, ইসরায়েল ‘ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য নিজেদের অবাধ ক্ষমতা দিচ্ছে এবং ন্যায্য বিচারের মৌলিক সুরক্ষাগুলোও সরিয়ে নিচ্ছে।’ আইনটির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টে একাধিক চ্যালেঞ্জ দায়ের হয়েছে।

যুক্তরাজ্যেও বিষয়টি জন্ম দিয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কের। জ্যাক পোলানস্কিসহ গ্রিন পার্টির নেতারা যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি এক যৌথ বিবৃতিতে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে। দেশগুলো বলছে, আইনটি ইসরায়েলের ‘গণতান্ত্রিক’ অঙ্গীকার দুর্বল করতে পারে।

ইসরায়েলযুক্তরাজ্যমৃত্যুদণ্ড আইনপিটিশনগণক্ষোভ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’