উত্তর আটলান্টিকে যাচ্ছে ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ, নজরে রুশ তৎপরতা

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাজ্যের সমুদ্রসীমা সুরক্ষার লক্ষ্যে আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিকে মোতায়েনের প্রস্তুতি হিসেবে পোর্টসমাউথ নৌঘাঁটি ছেড়েছে ব্রিটিশ বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস।
শুক্রবার হ্যাম্পশায়ার থেকে যাত্রা করা প্রায় ৩ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের এই জাহাজটিতে ৯০০-র বেশি নাবিক রয়েছেন। এতে হেলিকপ্টার ও ড্রোনও রয়েছে। বছরের শেষদিকে এটি ন্যাটোর ‘আর্কটিক সেন্ট্রি’ মিশনের অংশ হিসেবে উত্তরাঞ্চলে কার্যক্রমে অংশ নেবে।
গত মাসে যুক্তরাজ্য ও তার মিত্ররা উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রতল অবকাঠামোর কাছে একটি রুশ আক্রমণাত্মক সাবমেরিন ও দুটি গোয়েন্দা সাবমেরিন শনাক্ত করার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
এর আগে পশ্চিম ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ‘অপারেশন হাইমাস্ট’ নামে আট মাসের একটি মিশন শেষ করে নভেম্বরের শেষ দিকে পোর্টসমাউথে ফিরে আসে জাহাজটি।
ব্রিটিশ রয়্যাল নেভি জানিয়েছে, আর্কটিকে যাওয়ার আগে যুক্তরাজ্যের জলসীমায় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করবে জাহাজটি। এরপর স্কটল্যান্ডে গোলাবারুদ নেওয়ার পর শুরু হবে মূল অভিযান।
নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আর্কটিক অঞ্চল এবং এর আশপাশের এলাকাগুলো রয়্যাল নেভির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মিত্রদের সঙ্গে নিয়মিত কার্যক্রম চালানো হয়।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “যুক্তরাজ্যের জলসীমা ও বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায় রয়্যাল নেভি এবং সশস্ত্র বাহিনী সম্ভাব্য নানা হুমকির মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।”
এর আগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, যুক্তরাজ্যের জলসীমায় রাশিয়ার তৎপরতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো চেষ্টা হলে তার “গুরুতর পরিণতি” হবে।
তিনি আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দিকে নজর থাকলেও নরওয়ে-সহ মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাজ্য উত্তর আটলান্টিকে “রাশিয়ার বাড়তি তৎপরতার” জবাব দিয়েছে।



