Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মনিরুলের ‘মানবতার দুয়ার’
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

আল জাজিরার বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের পরাজয়ে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক হিসাব এলোমেলো

আল জাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২১
শেয়ার করুন:
ট্রাম্পের পরাজয়ে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক হিসাব এলোমেলো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি : আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে বরাবরই নিজের রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ট্রাম্পের কাছ থেকে অবিচল সমর্থন ধরে রাখার ক্ষেত্রে নিজেকে প্রায় অদ্বিতীয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্প ও তার দল রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয় নেতানিয়াহুর সেই রাজনৈতিক হিসাবকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিজ জোটের প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় চাপে পড়েছেন তিনি।

গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের চেয়ে যা আটটি কম। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট, উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। ডেমোক্র্যাটরা টেক্সাস ও কানসাসের মতো ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতেও বড় অগ্রগতি অর্জন করেছেন।

নির্বাচনের আগে দুই নেতার ঘনিষ্ঠতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। গত সপ্তাহে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচন এবং গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস নির্বাচনের আগে তারা পরস্পরের প্রতি জোরালো সমর্থন জানান। নিজ নিজ দেশের ভোটারদেরও মিত্রের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুই নেতার কেউই প্রত্যাশিত সাফল্য পাননি।

ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ককে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর বড় প্রত্যাশা ছিল। গত বছর হোয়াইট হাউসে ফিরে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি এমন কোনো ‘বোকামিপূর্ণ বিদেশি যুদ্ধে’ জড়াবেন না, যার শেষ নেই। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যৌথভাবে ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন। এর জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়। পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের অধ্যাপক ও ক্রিটিক্যাল ইস্যুস পোলের পরিচালক শিবলি তেলহামি বলেন, ‘স্পষ্টতই আমরা ইতিহাসের এক রাজনৈতিক সুনামি প্রত্যক্ষ করেছি। এটি ট্রাম্পবাদের প্রতি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যানের শামিল। তাই বিষয়টি নিঃসন্দেহে একটি নির্দিষ্ট ইস্যুর চেয়ে অনেক বড়।’

তবে এই নির্বাচনে পররাষ্ট্রনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তিনি। তেলহামি বলেন, ‘বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। কারণ, মার্কিন নাগরিকরা এসব বিষয়কে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করে দেখছেন।’

আরও পড়ুন

লাল আমেরিকায় নীল ঝড়

০৫ নভেম্বর ২০২৬

তেলহামির তত্ত্বাবধানে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে পরিচালিত এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে ব্যয়বহুল ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্তে ট্রাম্প প্রশাসনকে প্রভাবিত করেছে ইসরায়েল। তার মতে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এখন মার্কিন ভোটারদের বড় একটি অংশের কাছে সম্পদের বদলে দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তেলহামি বলেন, ‘অধিকাংশ মানুষই বলেছেন, তাদের ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েল একটি বিবেচ্য বিষয় হবে। আরও বড় একটি অংশ বলেছেন, ইরান যুদ্ধ তাদের ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে। তারা এই যুদ্ধের সঙ্গে ইসরায়েলকে সম্পর্কিত করে দেখছেন।’

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও সামরিক মিত্র। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলের সমালোচনা করে আনা কয়েক ডজন প্রস্তাব আটকে দিতে ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো একাধিক প্রস্তাবও রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবছর ইসরায়েলকে অন্তত ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে দেশটি। এই সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক অস্ত্র সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে ইসরায়েল। তবে এ সমর্থনের জন্য ওয়াশিংটনকে ক্রমেই রাজনৈতিক মূল্য দিতে হচ্ছে।

ট্রাম্পের নির্বাচনী পরাজয় মেনে নিলেও নিজের পরাজয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নেতানিয়াহু। গত এক সপ্তাহে তিনি অভিযোগ করেছেন, বিদেশি শক্তিগুলো অবৈধভাবে ইসরায়েলের আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর পক্ষে ভোট বাড়িয়েছে। ইহুদি ভোটারদের মধ্যে নিজের দলের জয়কে জাতীয় সরকার গঠনের ভিত্তি হিসেবেও তুলে ধরেছেন তিনি। এমনকি নির্বাচনের ফলাফলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন। তার এই অবস্থানের সঙ্গে ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ার মিল দেখছেন পর্যবেক্ষকেরা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়ার রাজনৈতিক মূল্য নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন ভোট গ্রহণ চলার সময় একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে বছরে ‘৪০০ কোটি ডলার’ সহায়তা দেওয়া বন্ধ করার বিষয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সমঝোতা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলকে সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে জনঅসন্তোষ বাড়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপও বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর।

ইসরায়েলের সাবেক সরকারি উপদেষ্টা ড্যানিয়েল লেভি আলজাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে যে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে, তার গভীরতা সম্পর্কে ইসরায়েলের ভেতরে একধরনের অস্বীকারের প্রবণতা রয়েছে। তার মতে, ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর সম্পর্ককে যেভাবে দেখা হচ্ছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ‘লেজ কুকুরকে নাড়াচ্ছে’ এমন ধারণা তৈরি হয়েছে।

লেভি বলেন, ‘সবচেয়ে স্পষ্ট প্রভাবটি ছিল ইরান যুদ্ধের। এর একটি অংশ হলো, একজন সহজে প্রভাবিত হওয়া প্রেসিডেন্টকে আরেকটি বিপর্যয়কর মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক অভিযানে টেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের ভূমিকা।’

তার মতে, এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের সামনে ইসরায়েলের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের বাস্তবতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার নির্বাচনী মূল্য স্পষ্ট করেছে।

লেভি আরও মনে করেন, ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর সম্পর্ক এখনো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও জোরদার করার রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কিছু নেতার কাছে নেতানিয়াহু অগ্রহণযোগ্য হলেও ট্রাম্পের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তাকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দিতে পারে। তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী পরাজয়ের পর সেই উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর অবস্থান দুর্বল হয়েছে।

লেভি বলেন, ‘এখন সেই উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর অবস্থান দুর্বল হবে। তবে সম্ভাবনাটি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে রয়েছেন একজন রাজনৈতিকভাবে আহত ট্রাম্প।’

ইসরায়েলের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও নিউইয়র্কে সাবেক কনসাল জেনারেল অ্যালন পিঙ্কাসের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছে। এই পরিবর্তনের পরিণতি সম্পর্কে ইসরায়েলের অনেকেরই যথেষ্ট ধারণা নেই।

পিঙ্কাস বলেন, ইরান যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবং নির্বাচনে ট্রাম্প ও তার নীতির বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের প্রত্যাখ্যানের পর তার প্রতিক্রিয়ার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। ট্রাম্প হয়তো সংঘাত আরও বাড়াতে পারেন, আবার কংগ্রেসকে সন্তুষ্ট করতে কোনো সমঝোতার পথও খুঁজতে পারেন।

তবে তার মতে, যেকোনো পরিস্থিতিতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক মৌলিকভাবে বদলে গেছে।

পিঙ্কাস বলেন, ‘৩৮০ কোটি ডলারের অনুদান বন্ধের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে সন্তুষ্ট করার জন্য কোনো বিনিময়মূলক পদক্ষেপ ছিল কি না, তা নিয়ে অনেক জল্পনা রয়েছে। কিন্তু এই অনুদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র পাওয়ার সুযোগের বিষয়ে কোনো কথাই বলা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অর্থ ছাড়াই হয়তো ইসরায়েল চলতে পারবে। কিন্তু অস্ত্রের ওপর দেশটি নির্ভরশীল। অথচ এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। ভবিষ্যৎ কৌশলগত চুক্তি নিয়েও কোনো কথা নেই। সবকিছুই এখন অনিশ্চিত।’

আল জাজিরা বিশ্লেষণট্রাম্পের পরাজয়বিপাকে নেতানিয়াহু
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে

    এখনো ডিবি কার্যালয়ে ইকবাল সোবহান

    এখনো ডিবি কার্যালয়ে ইকবাল সোবহান

    কংগ্রেস এখন ডেমোক্র্যাটদের, তাতে ট্রাম্পের কী কী সমস্যা

    কংগ্রেস এখন ডেমোক্র্যাটদের, তাতে ট্রাম্পের কী কী সমস্যা