বিদায়ের বিষাদে ভিনিসিয়ুস

সংগৃহীত ছবি
ইংল্যান্ড-নরওয়ের বদলে কোয়ার্টার ফাইনালটা হতে পারত ব্রাজিল-ইংল্যান্ডেরও। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেনাল্টি নিলে কে জানে, নরওয়ের বিপক্ষে এগিয়ে যেতে পারত ব্রাজিলই। আর ভিনির পাসে এনদ্রিক ওয়ান টু ওয়ানে গোল মিস না করলে ব্যবধান হতে পারত ২-০। কিন্তু কিছুই হয়নি। উল্টো ২-১ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়েছে ব্রাজিল।
এরপর কেটে গেছে ৫ দিন। যন্ত্রণার সেই ৫ দিন শেষে আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদায়ে হতাশার কথাই লিখলেন ভিনিসিয়ুস। তিনি লিখেছেন , বিশ্বকাপে ব্রাজিলের এই ফল খুবই হতাশার তবে হাল নে ছেড়ে ব্রাজিলকে ‘বিশ্বের শীর্ষে’ নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।
ভিনি লিখেছেন,‘প্রায় চার বছর পর আবারও একটি বিশ্বকাপ বিপর্যয়ের পর কী লিখব ভাবছি। সব বয়সী এত মানুষকে আমাদের সমর্থন করতে এবং আমাদের স্বপ্নকে আপন করে নিতে দেখেছি যে, এখন চুপ থাকাটা অন্যায় হবে। নিজের অনুভূতি গুছিয়ে নেওয়ার জন্য আমার কয়েকটা দিন সময় লেগেছিল। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গর্ব, আর বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে ছিটকে যাওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’
হাল না ছেড়ে ব্রাজিলকে বিশ্বের সেরাদের কাতারে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্নের কথাও লিখেছেন বিশ্বকাপে ৪ গোল করা ভিনিসিয়ুস।
নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেওয়ার ম্যাচে প্রথমার্ধে পেনাল্টি না নেওয়ার জন্য অনেকে মনে রাখবেন তাকে। তবে এই সিদ্ধান্তটা তার নয়, ছিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির।
ম্যাচ শেষে ভিনি বলেছিলেন,‘ম্যাচের আগেই কোচ ঠিক করে দেন কে পেনাল্টি নেবে। তিনি ব্রুনোকে বেছে নিয়েছিলেন। আমার কখনই অহংকার ছিল না। আমি কখনই এই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে চাইনি, আর সে কারণেই ব্রুনো শটটি নিয়েছিল। সে আমার চেয়ে ভালো পেনাল্টি মারে, তাই কোচ তাকেই বেছে নিয়েছিলেন। ব্যস এতটুকুই। আমি কখনোই দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে আসিনি।’




