আক্ষেপ ঘোচাতে প্রস্তুত গতবারের স্বাগতিকরা

চার বছর আগে কাতারের মাটিতে বিশ্বকাপের আসর বসেছিল। সেই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার নাম ছিল স্বয়ং স্বাগতিক কাতার। তিন ম্যাচেই পরাজয় নিয়ে গ্রুপ পর্বেই বিদায়। এবার আর মাথার ওপর ঘরের মাঠের উত্তাপ নেই, নেই আয়োজক দেশের অতিরিক্ত মনোযোগের বোঝা। এবারের বিশ্বকাপে কাতার ফিরছে অনেকটা নীরবে— স্বাগতিকের দায়মুক্ত হয়ে, কিন্তু একটি অমীমাংসিত হিসাব বুকে নিয়ে। সেই হিসাব মেটানোর প্রথম পরীক্ষাটি ইউরোপের অন্যতম পরিণত দল সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে।
তবে কাতারের একটি অস্ত্র রয়েছে, যা একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। আকরাম আফিফ— এই নামটিই কাতারের ফুটবলের প্রাণ। ১৩৩ ক্যাপ ও ৪১ গোলের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই আল-সাদ্দ উইঙ্গার শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কাতারের অন্যতম ভরসা। কোচ হুলেন লোপেতেগির কৌশল মূলত আফিফকে ঘিরেই তৈরি— আঁটসাঁট রক্ষণভাগ, দ্রুত আক্রমণ সাজানো এবং মাঠের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গায় আফিফের কাছে বল পৌঁছানো।
অন্যদিকে সুইজারল্যান্ড এই বিশ্বকাপে আসছে ইতিহাসের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দল নিয়ে— গ্রানিত জাকা, ম্যানুয়েল আকানজি, রিকার্দো রদ্রিগেস ও ব্রিল এমবোলোকে নিয়ে গড়া মুরাত ইয়াকিনের স্কোয়াড জানে ঠিক কী করতে হবে এবং কীভাবে। বিশ্বকাপের মঞ্চে সুইজারল্যান্ড বরাবরই নির্ভরযোগ্য উপস্থিতি। ১৯৩৮ সালে জার্মানিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছিল লা নাটিরা। তিনবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি ২০০৬ সালে একটিও গোল না খেয়ে বিদায়ের বিরল রেকর্ড গড়েছিল তারা। আর ২০১০ সালে গ্রুপ পর্বেই থামিয়ে দিয়েছিল সেবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে।




