ভিনির পায়েই ভিসি

ছবি: আগামীর সময়
ভিনি, ভিদি ভিসি— অর্থাৎ এলাম, দেখলাম, জয় করলাম। শব্দগুলো উচ্চারণ করেছিলেন জুলিয়াস সিজার, তুরস্কে একটি যুদ্ধ জয়ের পর। ব্রাজিল দল এবারের বিশ্বকাপে ভিসি অর্থাৎ জয়ের জন্য ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পায়ের দিকেই তাকিয়ে আছে। মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস। হাইতির বিপক্ষে ম্যাচেও ভিনি একটা গোল করেছেন, একটা করিয়েছেন মাথেউস কুনিয়াকে দিয়ে। মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি ভিনির খেলার পজিশনে একটি পরিবর্তন আনেন। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে ভিনি উইঙ্গার হিসেবে মাঠের একপাশে খেললেও হাইতির বিপক্ষে তাকে মাঠের মাঝখানে নিয়ে আসেন আনচেলত্তি। তার কৌশলটা ছিল এরকম, ভিনিকে কিছুটা ভেতরের দিকে খেলিয়ে উইংয়ের দায়িত্ব ডগলাস সান্তোসকে দেওয়া। মাঝামাঝি জায়গা থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের মাঝখান দিয়ে আক্রমণ করাটা বেশ কঠিন ছিল, যা ভিনি সফলভাবেই কাজে লাগিয়েছেন। দ্বিতীয়ার্ধে মার্তিনেল্লি মাঠে নামার পরও ভিনিকে তুলে নেননি আনচেলত্তি, বরং তিনি ম্যাচ জুড়েই মাথেউস কুনিয়া এবং পরে এনদ্রিকের সঙ্গে মিলে আক্রমণভাগ সামলেছেন।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচেই জায়গা বদল, ব্যাপারটা অনেকেই হয়তো ভালোভাবে নেবেন না। তবে ভিনিসিয়ুস এতে আনন্দিত! রিয়াল মাদ্রিদেও আনচেলত্তির অধীনে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা এই ফরোয়ার্ড মজার ছলে বললেন, সাধারণত তিনি এই পজিশনে খেলেন না, তবে কোচ যখনই তাকে ভেতরে ঢুকতে বলেন, তখনই তিনি গোল পান। ভিনি মজা করেই বললেন যে, তার কোচের কথা আরও বেশি শোনা উচিত এবং ড্রেসিংরুমে ফিরলেই কোচ তাকে মনে করিয়ে দেবেন যে ফুটবল সম্পর্কে তার জ্ঞান কতটা গভীর!
বিশ্বকাপে গোলসংখ্যায় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ছাড়িয়ে গেছেন রোনালদিনহোকে (২ গোল)। হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচ দেখতে ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়ামে রোনালদিনহো উপস্থিত ছিলেন, ম্যাচ শেষে গাউচোর সান্নিধ্যও পেয়েছেন। বিশ্বকাপে ছয়টি গোলে সরাসরি অবদান রেখে তিন গোল ও তিন অ্যাসিস্টে তিনি রোনালদিনহোর রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। রোনালদিনহো যেখানে ১০ ম্যাচে এই মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন, ভিনিসিয়ুস মাত্র ছয় ম্যাচেই তা করে দেখিয়েছেন।




