চোখে পড়ছে দি মারিয়ার অভাব

সংগৃহীত ছবি
টুর্নামেন্ট যত এগোচ্ছে ততই আনহেল দি মারিয়ার অভাবটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলে। কেপ ভার্দে ও মিশর ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলে তার মতো একজন ফরোয়ার্ড অনুপস্থিতি চোখে পড়েছে বিশেষভাবে। মেসি বাদে ম্যাচ বের করার মতো আর কেউ নেই দলে!
দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল বিশেষজ্ঞ টিম ভিকারি মনে করছেন এই উইঙ্গার আর্জেন্টিনা দলকে ভারসাম্য দিতে পারতো, ‘দি মারিয়া না থাকায় কৌশলগত বৈচিত্র্য ও বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো খেলোয়াড় সংখ্যা কমে গেছে চ্যাম্পিয়ন দলে। মাঝমাঠে মেসি সৃজনশীলতার দায়িত্ব একাই বহন করছে, এই উইঙ্গার থাকলে প্রতিপক্ষ আরো চাপে থাকতো।’
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৪৫ ম্যাচ খেলে তিনি করেছেন মাত্র ৩১ গোল। এর মধ্যে ২০২১ কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে একমাত্র জয়সূচক গোলটি দি মারিয়ার। ২০২২ ফিনালিসিমায় ইতালির বিপক্ষে করেছেন গোল। এরপর কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালেও আছে তার মহামূল্যবান গোল।
২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোপা আমেরিকা জয়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরে যান দি মারিয়া। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি তাকে দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় মনে করলেও তিনি নতুন প্রজন্মের জন্য জায়গা ছেড়ে চলে গেছেন। তখন স্কালোনি বলেছিলেন, ‘দি মারিয়ার জায়গা পূরণ করা অসম্ভব। সে এবং মেসি দুজনই অপূরণীয়। তাদের মতো আরেকজনকে খুঁজতে যাবেন না। কারণ তাদের মানের কেউ নেই।’
তার মতো একজন উইঙ্গার নেই এই আর্জেন্টিনা দলে। মেসি বাদে কেউ প্রতিপক্ষকে ভয় ধরানোর মতো ফুটবল খেলতে পারছেন না। আলভারেস কাতার বিশ্বকাপে ভালো খেললেও যুক্তরাষ্ট্রে তার ফর্ম ভালো নয়। লাউতারো মার্তিনেস মিশর ম্যাচে বদলি হয়ে নেমে একটি গোল বানিয়ে দিলেও অধরাবাহিক।
ফরোয়ার্ড লাইনের এই দুরবস্থায় আনহেল দি মারিয়াকে খুব প্রয়োজন ছিল আর্জেন্টিনার। এমন বিগম্যাচ ফুটবলার থাকলে সামনের ম্যাচগুলোতে দলের বড় সহায় হতো।




