বিশ্বকাপ
‘জার্মান ট্রেন’ চালু রাখতে চান নাগলসমান

সংগৃহীত ছবি
আগের দুই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল তারা। ২০১৮ ও ২০২২, দুই আসর মিলিয়ে জার্মানির গোল ছিল মাত্র ৮টি! সেই জার্মানিই এবার বিশ্বকাপে ফিরল বিধ্বংসী রূপে। আসরের প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বার্তা দিল জুলিয়ান নাগলসমানের দল। ম্যাচ শেষে জার্মান কোচ বলছেন, কুরাসাওয়ের বিপক্ষে সাফল্যের যে ‘ট্রেন’ চালু হলো, সেটাই বজায় রাখতে চান তারা।
হিউস্টনে রোববার ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে পাত্তাই দেয়নি চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। ২০১৪ আসরের সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে হারানোর পর, এই প্রথম বিশ্বকাপের ম্যাচে সাত গোল করল জার্মানরা।
শুরুটা উড়ন্ত হলেও, মাটিতেই পা রাখছেন নাগলসমান, ‘এটা দারুণ এক শুরু ছিল। বিশেষ করে প্রথম ১৫ মিনিট আমরা দুর্দান্ত খেলেছি। অনেকগুলো সুযোগ তৈরি করেছি। কুরাসাওয়ের গোলটা অবশ্য অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে দল যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তা অসাধারণ ছিল।‘
কুরাসাওয়ের প্রশংসা করতে ভোলেননি নাগলসমান, ‘জার্মানির অনেক মানুষের প্রত্যাশার চেয়ে ভালো খেলেছে কুরাসাও। তারা আগের চেয়ে ভিন্ন কৌশলে এবং অনেক সাহস নিয়ে খেলেছে। সাত গোল করা সহজ নয়, তাই আমরা অনেক সন্তুষ্ট। আমরা সঠিক পথেই আছি। তবে কিছু দিকে আরও উন্নতির জায়গা আছে। টুর্নামেন্টে সামনে আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে।‘
গত দুই আসরে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল প্রবল। এবার সেটা পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান নাগলসমান, ‘এই দলকে নিয়ে প্রত্যাশা অনেক বেশি, কুরাসাও নিয়ে নেই, এমন পরিস্থিতি কঠিন। ১-১ সমতার সময় আমাদের ধৈর্য ধরতে হতো। দল সত্যিই শতভাগ উজাড় করে দিতে চায়। আমরা সঠিক তীব্রতা নিয়ে খেলেছি। এটা ধরে রাখতে পারলে ভালো একটি টুর্নামেন্ট কাটবে আমাদের। একচেটিয়া জয় এবং আত্মবিশ্বাস আমাদের সত্যিই প্রয়োজন ছিল। নিজেদের ওপর আস্থা তো ছিলই, তবে এখন তা আরও বেড়েছে। জার্মানির মানুষদের এটা দেখানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, আমরা পারফর্ম করতে পারি। ম্যাচ শেষে জার্মান সমর্থকরা ‘দা ট্রেন হ্যাজ নো ব্রেকস’ গানটি গাইছিলেন। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করব এই টুর্নামেন্ট সামনের দিকে এগিয়ে যেতে।‘
আগামী শনিবার গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে আইভরি কোস্টের মুখোমুখি হবে জার্মানি।




