ইংলিশ ক্লাবের বিপক্ষে পাস, মেসির প্রথম ইংল্যান্ড পরীক্ষা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা যে কয়বার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে, তার সবকটিই লিওনেল মেসি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার আগে। এমনকি এ দুই দল সবশেষ প্রীতি ম্যাচও খেলেছিল ২১ বছর আগে, জেনেভায় হয়ে যাওয়া সেই ম্যাচে মেসি স্কোয়াডে থাকলেও মাঠে তাকে নামাননি কোচ হোসে পেকারম্যান। তাই বলা যায়, ‘ইংরেজি’ পরীক্ষায় বসার সুযোগই হয়নি মেসির! যদিও ভিন্ন সিলেবাসে ইংরেজি পরীক্ষা বহুবারই দিয়েছেন মেসি এবং জিপিএ ৫ পেয়েই করেছেন পাস।
বার্সেলোনা ও প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ে খেলার সময়টায় উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের অনেক ক্লাবকেই মেসি পেয়েছেন দীর্ঘ ক্যারিয়ারে। ২০০৫ থেকে ২০১৯, এই সময়কালে শুধু একটি মাত্র মৌসুমেই মেসি ইংল্যান্ডের কোনো ক্লাবের বিপক্ষে খেলেননি, সেটি ছিল ২০১২-১৩ মৌসুম। মেসি সবচেয়ে বেশি খেলেছেন চেলসির বিপক্ষে। ১০ ম্যাচে তার ৩ গোল তিন অ্যাসিস্ট। ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে খেলেছেন আট ম্যাচ, করেছেন ৭ গোল আর দুটি অ্যাসিস্ট। সাফল্যের পাল্লা সবচেয়ে ভারী আর্সেনালের বিপক্ষে, ছয় ম্যাচে ৯ গোল আর এক অ্যাসিস্ট। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ছয় ম্যাচে করেছেন ৪ গোল, লিভারপুলের বিপক্ষে চার ম্যাচে ২ গোল আর টটেনহামের বিপক্ষে করেছেন ২ গোল।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের বিপক্ষেই খেলেছেন মেসি। সবচেয়ে বেশি খেলেছেন ডিফেন্ডার জন স্টোনসের বিপক্ষে, ম্যানসিটির হয়ে চার ম্যাচে মেসির বিপক্ষে মাঠে ছিলেন স্টোনস। টটেনহামের হয়ে বার্সেলোনার বিপক্ষে দুটি ম্যাচে মেসির প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন হ্যারি কেইন। খেলা হয়েছে মার্কাস রাশফোর্ড, জর্ডান হেন্ডারসন ও জেড স্পেন্সের বিপক্ষেও।
কেইন ও রাশফোর্ডকে ঠিক সরাসরি মেসিকে আটকানো বা মেসিকে পাহারা দেওয়ার কাজটা করতে হয়নি, যদিও মাঠে মেসির উপস্থিতি শুধুই একমাত্রিক নয়। তারপরও রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে মেসিকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখা এবং কড়া নজরে রাখার অভিজ্ঞতা স্টোনসেরই বেশি। ২০১৬ সালে পেপ গার্দিওলার ম্যানসিটির রক্ষণকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিলেন মেসি; করেছিলেন হ্যাটট্রিক। ৪-০ গোলে বার্সেলোনার জয়ের সেই ম্যাচে রক্ষণে থাকা স্টোনসের দিনটা যে ভালো যায়নি, সেটি তো স্কোরলাইনেই স্পষ্ট। ফিরতি লেগে অবশ্য মেসিকে মাত্র ১ গোল করতে দেন স্টোনস অ্যান্ড কোং। পিএসজির হয়ে মেসির প্রথম গোল ম্যানসিটির বিপক্ষে, সেটি বেঞ্চে বসে দেখেছেন স্টোনস। ম্যানসিটির বিপক্ষে পিএসজির ম্যাচে স্টোনস আর রুবেন দিয়াজ মিলে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পে ত্রয়ীকে আটকে রেখেছিলেন ভালোভাবেই, একটির বেশি গোল করতে দেননি। ইংল্যান্ড দলের আরেক ফুলব্যাক স্পেন্স ফরাসি লিগের ক্লাব রেনেঁর হয়ে পিএসজির বিপক্ষে একটা ম্যাচে প্রতিপক্ষে পেয়েছেন মেসিকে, যে ম্যাচটা মেসির দল হেরেছিল ২-০ ব্যবধানে। জুড বেলিংহাম, বুকায়ো সাকা, ডেক্লান রাইস, জর্ডান পিকফোর্ডরা প্রথম খেলতে যাচ্ছেন মেসির বিপক্ষে।




