নাইটক্লাবের বাইরে ইংলিশ ক্রিকেটার কার্সকে হাতকড়া পরাল পুলিশ

সংগৃহীত ছবি
পাকিস্তানকে লিডস টেস্টে তিন দিনেই হারিয়েছে ইংল্যান্ড। একাদশে না থাকলেও সেই ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন ব্রাইডন কার্স। সেই তাকে ডার্বির একটি নাইটক্লাবের বাইরে ধস্তাধস্তির পর হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায় ইংল্যান্ডের পুলিশ। তাকে সাময়িকভাবে আটকে রাখা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এই ফাস্ট বোলারকে চারজন পুলিশ কর্মকর্তা ঘিরে ধরে আটকে রাখতে দেখেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঘটনার পর ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) নিশ্চিত করেছে যে ঘটনার তদন্ত করছে তারা। ইসিবির বিবৃতিতে বলা হয়েছে,‘গতকাল রাতে ডার্বিতে কার্সকে নিয়ে একটি ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জেনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সঠিক সময়ে আমরা এ নিয়ে বিস্তারিত জানাব।’
ঠিক কী কারণে পুলিশ কর্মকর্তারা এই ক্রিকেটারকে নাইটক্লাবের বাইরে হাতকড়া পরিয়েছিলেন, তার কারণ জানা যায়নি। ৩১ বছর বয়সী এই পেসার অবশ্য ফিরে গেছেন দলের টিম হোটেলে।
ভিডিওটিতে কার্সের ডারহাম ও ইংল্যান্ডের সতীর্থ ম্যাথিউ পটসকে তার সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। ইংল্যান্ডের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকসকেও দেখা গেছে ভিডিওতে।
লিডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের জয়ের পর ডার্বিতে অনুষ্ঠিত কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ডারহামের হয়ে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হয় কার্সকে। দ্বিতীয় বিভাগের শীর্ষ দল ডারহাম খেলার তৃতীয় দিনের শেষভাগে নাটকীয় জয় পায়। কার্স নিয়েছিলেন ২ উইকেট।
বেন স্টোকস ১৭ রানে নেন ৫ উইকেট। জয় উদযাপনেই দলের কয়েকজন খেলোয়াড় গিয়েছিলেন সেই নাইটক্লাবে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া কার্স গত পাঁচ বছরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন ১৪টি টেস্ট ও ৪৪টি সীমিত ওভারের ম্যাচ।
২০২৪ সালে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিলেন তিনি। শাস্তি পেয়েছিলেন ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে কয়েকটি ক্রিকেট ম্যাচে বাজি ধরা নিয়ে দুর্নীতিবিরোধী নিয়ম ভাঙ্গায়। নিষেধাজ্ঞা কাটানোর পরই তার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল।






