Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রজন্মকে বইয়ে ফেরাচ্ছেন খালিক উদ্দিন
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ইতিহাস-ঐতিহ্য

মুসলিম বণিকদের হাত ধরে যেভাবে ছড়িয়েছিল সংস্কৃতি

মুফতি সাইফুল ইসলাম
মুফতি সাইফুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:২৮
মুসলিম বণিকদের হাত ধরে যেভাবে ছড়িয়েছিল সংস্কৃতি

ছবি: এআই (মুসলিম বণিকদের জাহাজে করে পণ্য নিয়ে আসা ও বেচা-কেনার দৃশ্য)

একটি বন্দরনগরীর কথা ভাবা যাক। দূরদেশ থেকে জাহাজ এসে ভিড়েছে ঘাটে। জাহাজভর্তি মসলা, রেশম, সুগন্ধি আর নানা মূল্যবান পণ্য নামছে বন্দরে। আর জাহাজে শুধু পণ্যই আসতো না; আসতো ভিন্ন ভাষায় কথা বলা কিছু মানুষ, যাদের পোশাক, আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস এমনকি জীবন সম্পর্কে ধারণাও স্থানীয় মানুষের কাছে নতুন। অতপর ব্যবসার সূত্রে শুরু হওয়া পরিচয় একসময় গড়িয়েছে বন্ধুত্বে, কখনো আত্মীয়তায়; আবার কখনো আগত বণিকরা গড়ে তুলেছেন স্থায়ী বসতি। এভাবেই পৃথিবীর বহু জনপদে বাণিজ্যের পথ ধরে ঘটেছে সংস্কৃতির আদান-প্রদান। এই ইতিহাসে মুসলিম বণিকদের ভূমিকা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

মধ্যযুগে যখন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ছিল সীমিত, তখন আরব, পারস্য ও অন্যান্য মুসলিম অঞ্চলের বণিকেরা সমুদ্র ও স্থলপথে গড়ে তুলেছিলেন বিস্তৃত বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক। তাদের জাহাজ ভিড়ত ভারত মহাসাগরের বন্দরে, আর কাফেলা চলত এশিয়া ও আফ্রিকার দীর্ঘ বাণিজ্যপথ ধরে। পণ্যের সঙ্গে সঙ্গে তাদের জীবনাচার, বিশ্বাস ও জ্ঞানও পৌঁছে যেত নতুন নতুন জনপদে।

এই সাংস্কৃতিক বিস্তারের বিশেষত্ব ছিল, এর বড় একটি অংশ সংঘাতের পরিবর্তে দৈনন্দিন যোগাযোগ, পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে ঘটেছিল। তবে সব অঞ্চলে ইসলাম বা মুসলিম সংস্কৃতির বিস্তার কেবল বণিকদের মাধ্যমে হয়নি; সুফি-সাধক, আলেম, অভিবাসী, রাজনৈতিক শক্তি এবং স্থানীয় সমাজের নিজস্ব ভূমিকারও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

আরব বণিকদের ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। ইসলামের আবির্ভাবের আগেও আরব উপদ্বীপের ব্যবসায়ীরা ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পূর্ব আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্য করতেন। সপ্তম শতাব্দীতে ইসলামের উত্থানের পর এই বাণিজ্যিক যোগাযোগ নতুন মাত্রা লাভ করে। মুসলিম বণিকেরা লোহিত সাগর, পারস্য উপসাগর, আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন বন্দরে যাতায়াত করতেন। ইতিহাসবিদ কে এন চৌধুরী তার ‘ট্রেড অ্যান্ড সিভিলাইজেশন ইন দ্য ইন্ডিয়ান ওশান: অ্যান ইকোনমিক হিস্ট্রি ফ্রম দ্য রাইজ অব ইসলাম টু ১৭৫০’ গ্রন্থে দেখিয়েছেন, ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্য শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল না; এটি বিভিন্ন সমাজ ও সভ্যতার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যোগাযোগেরও মাধ্যম হয়ে উঠেছিল।

এই যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল মানুষের সঙ্গে মানুষের পরিচয়। একজন বণিক যখন অপরিচিত বন্দরে পণ্য নিয়ে পৌঁছাতেন, তখন তাকে স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক, নাবিক, দোভাষী ও প্রশাসকদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হতো। ব্যবসার প্রয়োজনে তিনি স্থানীয় ভাষা শিখতেন, সামাজিক রীতিনীতি বুঝতেন এবং স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করতেন। এভাবেই বাণিজ্যিক লেনদেনের গণ্ডি ছাড়িয়ে তৈরি হতো সামাজিক সম্পর্ক। কোথাও মুসলিম বণিকেরা সাময়িকভাবে বসবাস করতেন, কোথাও গড়ে তুলতেন স্থায়ী বাণিজ্যিক বসতি। স্থানীয় নারীদের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম একই সঙ্গে একাধিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী হয়ে উঠত। ইতিহাসবিদ জর্জ এফ. হাওরানি তার ‘আরব সিফেয়ারিং ইন দ্য ইন্ডিয়ান ওশান ইন আর্লি টাইমস’ গ্রন্থে আরবদের সমুদ্রযাত্রা ও ভারত মহাসাগরীয় যোগাযোগের এই ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরেছেন।

দক্ষিণ ভারতের মালাবার উপকূল ছিল এই সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। মরিচ, এলাচসহ বিভিন্ন মসলা এবং অন্যান্য পণ্যের বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে আরব বণিকদের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের বসতি, ধর্মীয় চর্চা এবং স্থানীয় সমাজের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে মালাবার অঞ্চলে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিকাশ ঘটে। পরবর্তী সময়ে এই সম্প্রদায় স্থানীয় ভাষা, খাদ্যসংস্কৃতি ও সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গে ইসলামী ঐতিহ্যের সমন্বয় ঘটায়। এর ফলে এক স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়ের বিকাশ হয়। যা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবেও কাজ করতো। তবে মালাবারে ইসলামের বিস্তারকে কেবল বণিকদের কর্মকাণ্ডের ফল হিসেবে দেখলে ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায় না; স্থানীয় শাসক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং পরবর্তী সময়ের সামাজিক পরিবর্তনও এতে ভূমিকা রেখেছে।

ভারত মহাসাগর পেরিয়ে এই সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। মালয় দ্বীপপুঞ্জ, সুমাত্রা ও জাভার বন্দরগুলোও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। মুসলিম বণিকেরা সেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। অনেক সময় মুসলিম বণিকদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে যাতায়াত করতেন ধর্মীয় শিক্ষক ও সুফি-সাধকেরাও। ফলে বাণিজ্যিক যোগাযোগের পাশাপাশি ইসলামি বিশ্বাস, ধর্মীয় শিক্ষা এবং নতুন সামাজিক ধারণার পরিচিতিও বাড়তে থাকে। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় শাসকদের ইসলাম গ্রহণ, মুসলিম বাণিজ্যিক সম্প্রদায়ের প্রভাব এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ইসলামের অভিযোজন এই অঞ্চলে ইসলাম বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইতিহাসবিদ অ্যান্থনি রিড তাঁর ‘সাউথইস্ট এশিয়া ইন দ্য এজ অব কমার্স, ১৪৫০–১৬৮০’ গ্রন্থে বাণিজ্যনির্ভর নগরজীবন ও সামাজিক পরিবর্তনের যে চিত্র তুলে ধরেছেন, তা এই প্রক্রিয়া বুঝতে অনেকটাই সহায়ক।

পূর্ব আফ্রিকার উপকূলেও ছিল মুসলিম বণিকদের সাংস্কৃতিক প্রভাব। কিলওয়া, মোম্বাসা ও অন্যান্য উপকূলীয় নগর ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। আফ্রিকান জনগোষ্ঠীর সঙ্গে আরব ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বণিকদের দীর্ঘ যোগাযোগের ফলে উপকূলীয় সমাজে ভাষা, স্থাপত্য, পোশাক ও ধর্মীয় জীবনে নানা পরিবর্তন আসে। এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ সোয়াহিলি সংস্কৃতি। সোয়াহিলি ভাষার ভিত্তি বান্টু ভাষাগোষ্ঠীর হলেও এতে আরবি থেকে বহু শব্দ প্রবেশ করেছে। ইসলামি ধর্মীয় ঐতিহ্য, আরবি লিপির ব্যবহার এবং উপকূলীয় বাণিজ্যনগরগুলোর স্থাপত্য এই সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের নানা নিদর্শন বহন করে। আরও বিশদ জানতে চাইলে ফ্রাঁসোয়া-জেভিয়ে ফভেলের ‘দ্য সোয়াহিলি ওয়ার্ল্ড’ গ্রন্থ অধ্যয়ন করতে পারেন।

বাংলার ইতিহাসেও সমুদ্রবাণিজ্য ও মুসলিম যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের বন্দরগুলো ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল। আরব ও পারস্যভাষী বণিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা এ পথে যাতায়াত করতেন। এই যোগাযোগের মধ্য দিয়ে পণ্য, ভাষা, খাদ্যাভ্যাস ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। তবে বাংলায় ইসলামের ব্যাপক বিস্তার বুঝতে হলে বাণিজ্যিক যোগাযোগের পাশাপাশি সুফি-সাধকদের ভূমিকা, কৃষি সম্প্রসারণ, বসতি গঠন এবং মধ্যযুগের রাজনৈতিক-সামাজিক পরিবর্তনও বিবেচনায় নিতে হয়। রিচার্ড এম. ইটনের ‘দ্য রাইজ অব ইসলাম অ্যান্ড দ্য বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার, ১২০৪–১৭৬০’ গ্রন্থে বাংলায় ইসলাম বিস্তারের এই জটিল ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

মুসলিম বণিকদের সাংস্কৃতিক প্রভাবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল তাদের ধর্মীয় নৈতিকতা। ইসলাম ব্যবসাকে শুধু জীবিকা অর্জনের উপায় হিসেবে নয়, ন্যায়সংগত লেনদেনের ক্ষেত্র হিসেবেও বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না; তবে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে ব্যবসা হলে তা ভিন্ন’। (সুরা নিসা, আয়াত : ২৯)। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সত্যবাদী ও আমানতদার ব্যবসায়ী নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের সঙ্গে থাকবে” (তিরমিজি, হাদিস : ১২০৯)। এসব শিক্ষা মুসলিম বণিকদের আদর্শিক পরিচয়ের অংশ ছিল। অবশ্য সব বণিক সব সময় এসব নীতি অনুসরণ করেছেন, এমন দাবি ইতিহাসসম্মত নয়। তবে এ কথা বলাই যায় যে অধিকাং মুসলিম বণিত এসব নৈতিক মানদন্ড মেনে চলতেন। যার প্রভাবে সাধারণ ভোক্তা সমাজে ইসলামী নীতি আদর্শ ও সংস্কৃতি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হতো।

সংস্কৃতির বিস্তার মানে এক সংস্কৃতির অন্য সংস্কৃতিকে সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপন করা নয়। মুসলিম বণিকেরা যেখানে গেছেন, সেখানকার মানুষও তাদের জীবনাচার, খাদ্য, ভাষা ও সামাজিক রীতিনীতিকে প্রভাবিত করেছে। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা একমুখী প্রভাবের ফল নয়; বরং পারস্পরিক গ্রহণ-বর্জন ও অভিযোজনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আরবি শব্দ স্থানীয় ভাষায় প্রবেশ করেছে, স্থানীয় খাবার মুসলিম সমাজের খাদ্যতালিকায় জায়গা পেয়েছে, আবার স্থানীয় স্থাপত্যরীতির সঙ্গে মিশে তৈরি হয়েছে স্বতন্ত্র মসজিদ ও বসতবাড়ি।

ইতিহাসের এই অধ্যায় আমাদের শেখায়, বাণিজ্য শুধূ সম্পদ স্থানান্তর করে না, মানুষের চিন্তা ও জীবনবোধেরও আদান-প্রদান ঘটায়। মুসলিম বণিকদের জাহাজে যেমন মসলা, বস্ত্র ও মূল্যবান পণ্য পরিবাহিত হতো, তেমনি তাদের যাত্রাপথে ছড়িয়ে পড়ত বিশ্বাস, ভাষা, জ্ঞান ও সামাজিক অভিজ্ঞতা।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক

[email protected]

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি