মনিরার আপিল শুনানি
ইতিবাচক রায়ের আশা, না হলে হাইকোর্টে যাওয়ার ঘোষণা

ছবি: আগামীর সময়
সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষে মনিরা শারমিন জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে যুক্ত করা হয়েছে নতুন একটি টেকনিক্যাল পয়েন্ট। আশা করছেন ইতিবাচক রায় পাবেন। তবে রায় প্রতিকূলে গেলে হাইকোর্টে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মনিরা।
এনসিপির এই নেত্রী বলেছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের আইনটির মূল উদ্দেশ্য অনেক ক্ষেত্রে বাস্তব প্রয়োগে বিচ্যুত হচ্ছে। বিশেষ করে যারা প্রতিষ্ঠিত নারী এবং চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে আসতে চান, তাদের ক্ষেত্রে তিন বছরের শর্তটি বৈষম্যমূলক বলে মনে করি।
শুনানিতে চাকরি থেকে ইস্তফা বা পদত্যাগ সংক্রান্ত একটি বিষয় যুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে মনিরা বলেছেন, যে প্রক্রিয়ায় চাকরি ছেড়েছি, তা এই সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। এ কারণে নির্বাচন কমিশনকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে বিষয়টি।
এ নারী রাজনীতিবিদের অভিযোগ, আইন সবার জন্য সমান হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ থাকার কথা থাকলেও সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে সরকারি দলের কিছু প্রার্থীর অযোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তাদের মনোনয়ন।
চাকরি ছাড়ার ধরন ও তার প্রযোজ্যতা নিয়ে নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট গভীরভাবে যাচাই করছে না বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির এই নেত্রী।
মনিরা শারমিনের মতে, আজকের রায় যদি আমার পক্ষে আসে, তাহলে ভালো। আর যদি না আসে, তাহলে আমরা যাব হাইকোর্টে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখন আইনজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টরা গবেষণা করছেন এবং এটি নারীদের সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইনের অস্পষ্টতা দূর করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনটি লাভজনক পদ এবং কারা এই আইনের আওতায় পড়বেন বা পড়বেন না এসব বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। অন্যথায় নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সংসদে প্রতিনিধিত্ব অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।



