Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মতামত

মহান মে দিবস

শ্রমজীবী মানুষের আস্থায় বিএনপি

অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ২০:০৫
শ্রমজীবী মানুষের আস্থায় বিএনপি

লেখক

বিএনপিকে বলা হয় গণমানুষের দল। এই গণমানুষের মধ্যে বেশিরভাগই শ্রমিক শ্রেণি। খুব সম্ভবত বিএনপিই একমাত্র রাজনৈতিক দল, যার প্রতিষ্ঠাতা একজন উর্দি পরা জেনারেল হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ দলটিকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের রাজনৈতিক মুক্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির আশ্রয়স্থল হিসেবে গ্রহণ করে। যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেসব উদ্যোগ, কর্মসূচি নিয়েছেন, তার সবই ছিল গণমুখী। সমাজের অবহেলিত, পিছিয়ে পড়া মানুষকে সামনে এগিয়ে নিতে তার প্রাণান্ত প্রচেষ্টা ছিল। তার অল্প সময়ের শাসনামলে শ্রমিক কল্যাণে যেসব কর্মসূচি নেওয়া হয়, তা ছিল সত্যিই অভাবনীয়।

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ১৯৮০ সালে ঢাকায় বিশাল পরিসরে শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। যেই সমাবেশে রাষ্ট্রপতি জিয়া নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে ঘোষণা করেন। সামরিক ব্যারাকে দেশের সেবায় নিয়োজিত একজন সৈনিক দেশের প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি হলেও তিনি মূলত মানুষের সেবক, এই কথা তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন। ওই সমাবেশে তার ভাষণ শ্রমিকদের নতুন করে উজ্জীবিত করেছিল দেশপ্রেমে। তারা বুঝতে পারেন শ্রমিক কোনো অবহেলিত জনগোষ্ঠী নয়, বরং তারা দেশ গড়ার আসল অংশীজন। তাদের শ্রমে-ঘামেই একটি দেশ এগিয়ে যায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন এই শ্রমিকের অংশগ্রহণ ছাড়া সম্ভব নয়। শ্রমিক সমাবেশে দেওয়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাষণের মূল সুর ছিল উৎপাদন বৃদ্ধি, কঠোর পরিশ্রম এবং জাতীয়তাবাদ। তিনি শ্রমিকদের ‘উৎপাদনমুখী’ হওয়ার এবং দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন কর্মে। ন্যায্যতাভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রত্যেক শ্রেণি-পেশার মানুষের অবদানকে তিনি যথাযথ সম্মানের সঙ্গে দেখতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, দেশের মোট জনসংখ্যার সিংহভাগ শ্রমিক। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই। বাস্তবে কখনোই সম্ভব নয়। সে কারণে তিনি তাদের উৎপাদনমুখী রাজনীতি ও অর্থনীতিতে একীভূত করেছিলেন। তিনি উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিতেন।

তিনি শ্রমিকদের বলতেন, ‘খাল কেটে পানি আনো, উৎপাদন বাড়াও’। তিনি বাংলাদেশকে একটি ‘কর্মমুখর জাতি’ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন, এবং শ্রমিকদের অলসতা পরিহার করে উৎপাদনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করতেন। তার কাছে কাজই হলো স্বনির্ভরতার চাবিকাঠি। আর স্বনির্ভর কোনো জাতি কারও গোলামি পছন্দ করে না। তাদের ভেতর দেশপ্রেমের তেজ থাকে। তারা হয় স্বাধীনচেতা।

শ্রমিক সমাবেশে দেওয়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাষণের মূল সুর ছিল উৎপাদন বৃদ্ধি, কঠোর পরিশ্রম এবং জাতীয়তাবাদ

রাষ্ট্রপতি জিয়া খুব ভালো করেই জানতেন শ্রমিক হলো মালিক শ্রেণির উন্নয়ন সহযোগী। এ দুইয়ের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক কখনোই ভালো ফল দেবে না। তাই তিনি শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার পক্ষে ছিলেন। কলকারখানায় শ্রমিকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি তিনি মালিকপক্ষের জন্য ব্যবসার অনুকূল পরিবেশও বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার দীর্ঘ ভাষণে শ্রমিকদের জন্য বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের ভেতরে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন বোঝানোর চেষ্টা ছিল। কেননা তিনি মনে করতেন, শ্রমিকদের ভেতর যদি সত্যিকারের দেশপ্রেম না থাকে, তাহলে দেশের উন্নয়ন-উৎপাদন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে না।

একইভাবে তিনি ওই বছরের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। সেখানেও তিনি উন্নয়নশীল বিশ্বের অর্থনৈতিক মুক্তি, সম্পদের সুষম বণ্টন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তার এই সময়কার ভাষণগুলো মূলত দেশের উন্নয়ন, উৎপাদন এবং শ্রমিকদের অধিকার ও দায়িত্বের ওপর আলোকপাত করত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, তাদের অবস্থার উন্নতি এবং শ্রমিক-মালিকের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতেন।

রাষ্ট্রপতি জিয়ার শাহাদাতের পর বিএনপি দুটি পূর্ণ মেয়াদে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করে। এ সময় তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া দেশের হাল ধরেন। শ্রমিক সুরক্ষায় তার আমলে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত আসে। শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ২০০৬ সালে সমন্বিত ‘বাংলাদেশ লেবার কোড’ প্রণয়ন, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন, পোশাক শিল্পে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ ছিল অন্যতম। এ ছাড়া শিল্প খাতের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়ার পাশাপাশি নারী শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন বিশেষ গুরুত্ব দেয় খালেদা জিয়ার সরকার। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি এবং শিক্ষার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে নারী শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ভিত্তি স্থাপন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে যুগান্তকারী ঘটনা। বর্তমান বাংলাদেশে নারীদের যে অগ্রগতি, তার ভিত তখনই গঠিত হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্য বলছে, দেশে কর্মক্ষম জনসংখ্যা ১২ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার। তাদের মধ্যে শ্রমশক্তি ৭ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার। মোট শ্রমশক্তির ৮৪ দশমিক ১ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। যার সংখ্যা ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার। অর্থাৎ, এ বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের দায়দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর বর্তায় না। শ্রমিক হিসেবে তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। কোনোরকম আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা নেই। কর্মস্থলের পরিচয়পত্র নেই। কাজের ক্ষেত্রে অন্যায়ের শিকার হলে তাদের শ্রম আদালতে মামলা করার সুযোগও নেই। স্বাধীনতার সুদীর্ঘকাল পরে এসে দেশের শ্রমিকদের জীবনমানের এই চিত্র সত্যিই আমাদের আশাহত করে। যাদের শ্রমে-ঘামে একটি দেশ টিকে থাকে, তাদের বঞ্চনার এমন কালশিটে রেকর্ড আমাদের জন্য লজ্জার।

বিএনপি তার রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার মধ্যে শ্রমিকের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ১৬ নম্বর দফায় বিএনপি বলছে, ‘মুদ্রাস্ফীতির আলোকে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা হবে। শিশু-শ্রম বন্ধ করে তাদের জীবন বিকাশের উপযোগী পরিবেশ ও ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও গণতান্ত্রিক ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করা হবে। পাটকল, বস্ত্রকল, চিনিকলসহ বন্ধ শিল্পকারখানা ফের চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন, মর্যাদা ও কর্মের নিরাপত্তা এবং দেশে বিমানবন্দরসহ সব ক্ষেত্রে হয়রানিমুক্ত সেবা প্রাপ্তি ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হবে। চা-বাগান, বস্তি, চরাঞ্চল, হাওর-বাঁওড় ও মঙ্গাপীড়িত ও উপকূলীয় অঞ্চলের বৈষম্য দূরীকরণ ও সুষম উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।’

উৎপাদন ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর উৎপাদনের মূল হাতিয়ার হলো শ্রমজীবী মানুষ। চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা দেখেছি, হাসিনার দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে এ দেশের শ্রমিক শ্রেণি কীভাবে নিষ্পেষিত হয়েছে। কৃষি থেকে শিল্প— সবখানেই শ্রমিকরা ছিলেন নিগৃহীত। তাদের শ্রম আছে, কিন্তু সম্মান নেই। তাদের ঘামে দেশ এগিয়ে যায়, কিন্তু তারা থাকেন পিছিয়ে। এমন বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় অতিষ্ঠ শ্রমিকরাও ছিল অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তাদের অকুতোভয় হুংকার সেদিন গণহত্যাকারী হাসিনাশাহীর পতন ঘটিয়েছে। রাজপথে জীবন দিয়েছে অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। হাজার হাজার শ্রমজীবী এখনো পঙ্গু-কর্মহীন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শ্রমজীবী মানুষের বিপুল সমর্থন ছিল। কেননা তারা মনে করে, বিএনপিই সত্যিকারভাবে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার দল। তাই দেশ ও দশের ভাগ্যের পরিবর্তনের দুর্বার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তারা বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে। বিএনপি শ্রমজীবী মানুষের এই সমর্থনকে সম্মান জানায়। তারা যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দলটিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন করেছে, আঙুলে ভোটের চিহ্ন মোচনের আগেই সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ শুরু করেছে সরকার। দেশব্যাপী খাল খনন ও সংস্কার থেকে শুরু করে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ নানামুখী কার্যক্রম চলমান। এসবই মূলত শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট। যদিও আরও চমক সামনে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তার সবই এখন প্রকাশ্যে না এলেও সামনের দিনগুলোয় আসবে— এটা জাতি বিশ্বাস করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার তারেক রহমানের কাছে জনগণের এই প্রত্যাশা অমূলক কিছু নয়, বরং একেবারেই যৌক্তিক।

মে দিবসআন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    কুমিল্লায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল, বাধা দিতে গিয়ে মার খেলেন বিএনপি নেতা

    কুমিল্লায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল, বাধা দিতে গিয়ে মার খেলেন বিএনপি নেতা

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৬

    ১০ টাকার শরবতে লাখ টাকার রোগ

    ১০ টাকার শরবতে লাখ টাকার রোগ

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:২৯

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫০

    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৯

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৬

    রাত ৮টার মধ্যে দোকান ও বিপণিবিতান বন্ধের নির্দেশ

    রাত ৮টার মধ্যে দোকান ও বিপণিবিতান বন্ধের নির্দেশ

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:০১

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৩

    দেড় শতাধিক মানুষের জন্য নেই বিশুদ্ধ পানি, ব্যবস্থা নিলেন বিএনপি নেতা

    দেড় শতাধিক মানুষের জন্য নেই বিশুদ্ধ পানি, ব্যবস্থা নিলেন বিএনপি নেতা

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২০:৪৬

    বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইলেন ছাত্রদল নেতা

    বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইলেন ছাত্রদল নেতা

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫৫

    ‘ঘুষ না দেওয়ায়’ ঠিকাদারকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ

    ‘ঘুষ না দেওয়ায়’ ঠিকাদারকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৫

    জট খুলছে না পাকাচ্ছে

    জট খুলছে না পাকাচ্ছে

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪

    ঝড় কেড়ে নিল প্রাণ!

    ঝড় কেড়ে নিল প্রাণ!

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:৩৯

    গ্যাস সংকটে দুঃখ প্রকাশ, বিজ্ঞপ্তিতে যা বলল বিজিডিসিএল

    গ্যাস সংকটে দুঃখ প্রকাশ, বিজ্ঞপ্তিতে যা বলল বিজিডিসিএল

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৮

    বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফার ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফার ৯ দিন পর মৃত্যু

    ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:২৬

    কক্সবাজারে বাসচাপায় লেগুনার ৪ আরোহী নিহত

    কক্সবাজারে বাসচাপায় লেগুনার ৪ আরোহী নিহত

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২২

    advertiseadvertise