সংবাদপত্রের কঠিন সময়
জটিল সময়ে কঠিন যাত্রা

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলম রায়হান। ছবি : সংগৃহীত
এক সময় বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ছিল প্রধানত সূর্য তথা ক্ষমতা বিমুখ। সাংবাদিকতাও ছিল অনেকটা তাই। সমালোচনা করার জন্যই যেন সর্বক্ষণ মুখিয়ে থাকত। এরপরও নানান ক্ষমতার কেন্দ্র, এমনকি ডিপ স্টেটও সাংবাদিকদের সমিহ করত, সমঝে চলতো। যে ধারা এখন সুদূর অতীত, অথবা সুখস্মৃতি। আর কালের পরিক্রমায় এবং ভোগবাদের উল্লম্ফনের ফলে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা অনেকটাই হয়ে গেছে লাজুক পান্ডার মতো। আর সাংবাদিকতাসহ অনেক কিছুই সূর্যমুখি ফুলের মতো, যেদিকে সূর্য অর্থাৎ ক্ষমতা, সেদিকেই দাঁত কেলিয়ে চাঁদবদন প্রদর্শনের নির্লজ্জ প্রয়াস। এই প্রবনতার প্রভাবে আমজনতা হয়েছে গণমাধ্যম বিমুখ। আর বুদ্ধিজীবিদের বয়ান বিবেচনায় নেওয়া অনেক দূরের বিষয়, যেন শুনতেই চায় না। যেমন পড়তে চায় না পত্রিকা। অবশ্য পাঠক পত্রিকা বিমুখ হয়েছে করোনাকালে। মহামারির সেই সময়ের প্রভাবে পাঠক আকাল থেকে সংবাদপত্র জগত আর বের হয়ে আসতে পারেনি। অনেক পত্রিকার ভিড়ে মাত্র কয়েকটি পত্রিকা পাঠকরা আগ্রহভরে হাতে নেন। এ অবস্থায় অনেক পত্রিকাই ব্যবসায়িকভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করছে নানান ডিজিটাল নির্ভরতায়। এরপরও অনেক চালু পত্রিকাও স্বল্প পানিতে কাতলা মাছের মতো খাবি খাচ্ছে। বিরাজমান এই বাস্তবতার মধ্যে দৈনিক আগামীর সময় আত্মপ্রকাশ করেছে। এই সময় নতুন পত্রিকা প্রকাশনার উদ্যোগ খুবই কঠিন যাত্রা। এর পরও আশার আলো আছে।
সবারই জানা, রাষ্ট্র এবং গণতন্ত্র নানান ঘাত-প্রতিঘাতে বিকশিত হয়, গণমাধ্যমও তাই। জানা কথা, সংবাদপত্রকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। এদিকে রাষ্ট্র ও গণমাধ্যমে যারা ভূমিকা রাখেন তাদেরকে বিশেষ ধরনের দক্ষ হতে হয়। আর এই দক্ষতা কোনো কুইক প্রডাক্ট নয়, বরং লাগাতার প্রচেষ্টায় অর্জিত। যা দীর্ঘ পথ চলা এবং সিনিয়রদের নানান যত্নে গড়ে ওঠে। এ অনেকটা গুরুগৃহ শিক্ষার মতো। কিন্তু এই যত্নেরই আকাল চলছে। এ ব্যাপারে বরীন্দ্রনাথকে সম্বোধন করে আল মাহমুদের কবিতাটি খুবই প্রাসঙ্গিক, ‘এ কেমন অন্ধকার বঙ্গদেশ উত্থান রহিত/ নৈশব্দের মন্ত্রে যেন ডালে আর পাখিও বসে না।/ নদীগুলো দুঃখময়, নির্পতগ মাটিতে জন্মায়/ কেবল ব্যাঙের ছাতা, অন্যকোন শ্যামলতা নেই।’ এ কবিতায় সেই সময়ের সর্বগ্রাসী আকালের কথা বলেছেন শুদ্ধ কবি আল মাহমুদ। যে অবস্তার আরও অবনতি ঘটেছে। এর সঙ্গে চলমান সময় এবং পারিপার্শিক অবস্থা নিয়ে সংশয় কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। এরপরও আশার কথা হচ্ছে, প্রায় ১৬ বছর পর নির্বাচনের ধারা ফিরে আসায় শুদ্ধ গণতান্ত্রিক ধারার চর্চা আবার ফিরে আসবে- এই প্রত্যাশার আলো মৃদু হলেও বিরাজমান। এদিকে সংবাদপত্রের জন্য কেবল নয়, তাবত গণমাধ্যমের জন্য গণতান্ত্রিক পরিবেশ খুবই জরুরি, মাছের জন্য জল যেমন। কিন্তু চলমান সময় ও পারিপার্শিক অবস্থা কতটা প্রশান্তির থাকবে, তা নিয়ে কারো কারো সংশয় আছেই। আবার কারো মতে পরিস্থিতি বৈরী করার একটি প্রয়াস অন্ধকার থেকে বেশ জোরালো।
জানা কথা, বৃটিশ ভারত, পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি সরকার কোনো না কোনোভাবে গণমাধ্যমের ওপর আঘাত হেনেছে। আর ৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে হানাদার বাহিনীর আক্রমনের প্রধান লক্ষের তালিকায়ও ছিল গণমাধ্যম। তখন গণমাধ্যম বলতে ছিল কেবলমাত্র সংবাদপত্র; আর সরকারি মালিকানার রেডিও-টেলিভিশন। সংবাদপত্র অফিস পুড়িয়ে দিয়েছিল হানাদার পাকবাহিনী। এর অর্থ এই নয় যে, স্বাধীনতার পর সংবাদপত্র দুধের নহরে সন্তরণ করেছে। বরং হয়েছে উল্টোটাই। যার প্রকট সূচনা হয়েছে মুজিব সরকারের আমলে। সংবাদপত্রের বাইট পাওয়ারে প্রথম আঘাত হানেন শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সবগুলো বন্ধ করে দেন। এরপরও সংবাদপত্রের নখ-দন্ত অবশিষ্ট ছিল। পরের সরকারগুলো নানাভাবে গণমাধ্যমকে নিস্তেজ করার কাজটি ক্রমাগতভাবে করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় সংবাদপত্র এক পর্যায়ে হয়েছে গেছে অনেকটাই জিন্দা লাশ!
মুজিবের পর গণমাধ্যমবিরোধী অপকর্মে দ্বিতীয় নামটি হচ্ছে বে-না-হুদা, অর্থাৎ ব্যারিস্টার নাজমূল হুদা। তথ্যমন্ত্রী থাকাকালে বে-না-হুদা ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নকে সফলভাবে দ্বিধাবিভক্ত করতে পেরেছিলেন। এর মাধ্যমে সাংবাদিক মহলে অনৈক্য ও সংবাদপত্র জগতের যে সর্বনাশের সূচনা হয়েছে তাকে মুজিবীয় কাণ্ডের চেয়ে মোটেই তুচ্ছ ভাবার কোনো কারণ নেই। এর ধারাহিকতায় প্রতিটি সরকারের আমলেই এক শ্রেণির কর্মকর্তা প্রথমে সংবাদপত্রের প্রজনন বৃদ্ধিকে ধ্যানজ্ঞাণ করেন। এই প্রক্রিয়ার মুরগীর ব্যাপারিও পত্রিকার মালিক হয়েছেন। আর লঞ্চের ক্যাবিন বয়ও ধারণ করেছেন সাংবাদিকের জার্সি। কাকের ময়ুর পুচ্ছও এখানে নস্যি। সামগ্রিক অবস্থায় পরিস্থিতি যখন খুবই ঘোলাটে তখন ‘নেড়ী কুকুর নিধন’ প্রয়াসে যেনো ঘুম ভাঙে কুম্ভকর্নের। কিন্তু এখানেও আছে অন্য খেলা। প্রচলিত ভাষায় যাকে বলা হয় বাণিজ্য। এরসঙ্গে সাংবাদিক সৃষ্টির ক্ষেত্রও বিনষ্ট করে দেওয়ার খেলা রয়েছে। অথচ প্রত্যাশা ছিল, সংবাদপত্রের সুষ্ঠু ধারাকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। আর সিনিয়র সাংবাদিকদের করণীয় ছিল, পরবর্তী প্রজন্ম তৈরিতে অবদান রাখা। যা এক সময় ছিল। এ ক্ষেত্রে জেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ উদাহরণ আছে অসংখ্য। আরও পরিস্কার করে বলা চলে, জেলা-উপজেলা-গ্রামই হচ্ছে সাংবাদিক তৈরির বড় ক্ষেত্র। এই তালিকায় আছেন কিংবদন্তী সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীও। হিতৈষী পত্রিকা দিয়ে তার লেখক জীবন শুরু। আর সাংবাদিকতা শুরু নকিব দিয়ে, ১৯৪৬ সালে। দুটেই জেলা শহর বরিশাল থেকে প্রকাশিত হতো।
জানাকথা, পাখির সঙ্গে তেলাপোকার তুলনা চলে না। তবে দুটোই ওড়ে। পাখি ওড়ে আকাশে, তেলাপোকা এখান থেকে ওখানে। এ বাস্তবতায় আমার সাংবাদিকতাও শুরু বরিশালেই ১৯৭৭ সালে, জেলা পরিষদ প্রকাশিত পাক্ষিক বাকেরগঞ্জ পরিক্রমা দিয়ে। এ পত্রিকার মাধ্যমে অনেকেই লেখালেখী ও সাংবাদিকতার জগতে এসেছেন। সেই বাকেরগঞ্জ পরিক্রমা অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়েছে। সেই সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে পত্রিকাকে পৃষ্ঠপোষকতা করা হতো। যা বিশ্ববিদ্যালয়েও ছিল- হল ও ডিপার্টমেন্ট ভিত্তিক। স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছাত্ররা মহল্লার বের করতো সংকলন। যাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে পৃষ্ঠপোষকা করতেন ছোটখাটো দোকানদাররাও।
প্রসঙ্গত, পিআইবির আয়োজনে স্মৃতি তর্পন অনুষ্ঠানে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সাংবাদিকতার নানান প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন। তার এই স্মৃতিকথা ‘অগ্রজের সঙ্গে একদিন’ নামে পুস্তক আকারে পিআইবি প্রকাশ করেছে ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে। বরিশাল প্রসঙ্গে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেছেন, ‘বরিশালে এখন অনেক দৈনিক কাগজ। তখন দুটি কাগজ ছিল। বরিশাল হিতৈষী এবং নকিব। দুটিই অত্যন্ত উন্নতমানের কাগজ। নকিবে একসময় কাজী নজরুল ইসলাম কবিতা লিখেছেন। সেদিক থেকে আমি নিজকে খুব ধন্য মনে করি যে, বরিশালে ঐ সময় আমি ছিলাম।’ কেবল পত্রিকার মান প্রসঙ্গ নয়, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী তার সময়ে জেলা প্রশাসনের উচ্চ মান প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বরিশাল তখন অত্যন্ত সমৃদ্ধ শহর ছিল। এখন বড়বড় অট্রালিকা হয়েছে। কিন্তু তার কালচারের মান অনেক নেমে গেছে। তখন বরিশালের ডিসি ছিলেন অন্নদা শঙ্কর রায়। বরিশালে মুনসেফগিরি করতেন অচিন্ত কুমার সেনগুপ্ত। ডিসিকে বলা হতো ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট(ডিএম)। ডিএম লজে প্রত্যেক পূর্ণিমার রাতে একটি আসর বসতো। বড় বড় সাহিত্যিকরা আসতেন। তারাশঙ্কর, মনোজ বসু। আবুল কালাম শামসুদ্দীনও আসতেন। সেই সময়ের একটি মজার কথা বলি। অনেকে হয়তো বিশ্বাস করবেন না। জীবনান্দ দাশ বললেন, তার যে বিখ্যাত কবিতা বনলতা সেন এটির সুরটি, ছন্দটি তিনি কোরআন থেকে নিয়েছেন। শুনে তো সবাই অবাক। উনি বললেন, তোমরা জান না। আমার এক ছাত্র একদিন সুরা নাস পড়ছিল। ‘কুল আউযু বিরাব্বিন নাস, মালিকিন নাস, ইলাহিন নাস।’ চুল তার কবেকার অন্ধকার’। এটি আমার চিরকাল মনে থাকবে। আমি কলকাতায়ও বলেছি। ওরা বিশ্বাস করেনি’।
ডিসি লজ অথবা বাংলো প্রসঙ্গে যে গৌরবের কথা গাফ্ফার চৌধুরী তুলে ধরেছেন তা কি চলমান? সম্ভবত উত্তর নেতিবাচক। ডিসির মসনদে থাকাকালে অনেকেই নীতি কথা বলেন। অনেকের ভাবখানা যেন জমিদার পুত্র! ডিসিরা জেলায় অনেক দায়িত্বের অধিকারী। তারা জেলায় সংবাদপত্রের অভিভাবকের আসনেও আসীন। কিন্তু এরা কি পত্রিকাকে মমতার দৃষ্টিতে দেখেন? আবার হলফ করে কী বলা যাবে, বেঁচে থাকলে কাজী নজরুল ইসলাম এখন বরিশালের পত্রিকায় কবিতা লিখতেন? এই যে দুর্দশা তা কেবল বরিশালের নয়, পুরো দেশেরই।
আরও কথা আছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে তো আমাদের দেশে সবকিছুই ওলট-পালট হয়ে যাবার নগ্ন ধারা বেশ স্পষ্ট। এর প্রভাব থেকে গণমাধ্যম মোটেই মুক্ত নয়। বরং অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি আক্রান্ত করেগেছে ইউনুস সরকার। ফলে সংবাদপত্রের অবস্থা খুবই নিদারুন। এদিকে করোনাকালে সংবাদপত্রের তলানিতে নামা পাঠক সংখ্যার পারদ আর ওপরে ওঠেনি। এর নানাবিধ কারণ আছে। অন্যতম হচ্ছে, নানান তরিকায় সংবাদিকদের স্বাধীনতা হরণের তাণ্ডব। এ ক্ষেত্রে হাসিনা আমলে তিনটি তরিকা ছিল। এক. ছুড়ে দেয়া হাড্ডি নিয়ে খুশ রহো! তৈল নিয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখো ক্ষমতার পদ যুগলে। দুই. নতজানু রহো, নিরাপদে থাকো। তিন. না হলে পদতলে পিষ্ট হও, নরাধম! ধারণা করা হয়েছিল, ৫ আগস্টের পর সংবাদপত্র ও সাংবাদিকের পূর্ণ স্বাধীনতা না আসলেও পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে। কিন্তু তা কি হয়েছে? হয়নি। বরং অবনতি ঘটেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এনসিপি আহ্বায়ক ও মহান জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টা হিসেবে তথ্যমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে গণহারে সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করেছেন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গণহারে খুনের মামলা দিয়ে কারারুদ্ধ করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলেও এদের জামিন হয় না। জীবন নিয়ে বিদেশে পলাতক সাংবাদিকরা এখনো দেশে ফেরার ভরসা পাচ্ছেন না।
ইউনূস সরকারের আমলে সাংবাদিকদের ওপর অকল্পনীয় আঘাত আসার পাশাপাশি ছিল পত্রিকা বন্ধ করে দেবার আতঙ্ক। এ আতঙ্ক চরমে পৌছায় তৎকালে তথ্যমন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছিলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি হলো কোনো গণমাধ্যম বন্ধ করা হবে না’। তার এ বক্তব্যে কিছুটা আশার আলো দেখা দিয়েছিল। তবে তা জোনাকির আলোর চেয়ে খুব বেশি নয়। আর তথ্যউপদেষ্টা গণমাধ্যম বন্ধ না করার কথা স্পষ্টভাবে বলায় কয়েকদিনের মধ্যেই ময়মনসিংহের ডিসি বাহাদুর এক খোঁচায় ১১টি পত্রিকার ডিক্লারেশন খেয়ে দিয়েছেন। যা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন বিভিন্ন জেলার ডিসিরা। এ ব্যাপারে কেউ কেউ একেবারে রণচন্ডি! কিন্তু তারা কি ভেবে দেখেছেন, রানীক্ষেতে আক্রান্ত খোপের মুরগী অথবা তরকা আক্রান্ত গোয়ালের গরুর ওপর হম্ভিতম্ভি করছেন তারা! বিপরীতে অসংখ্য বনমোরগ অথবা বন গরু নিয়ন্ত্রণের বিন্দুমাত্র ক্ষমতা কি কেন্দ্র থেকে জেলা পর্যন্ত বখেদমতে হুজুরে আলাদের আছে? নেই তো! ফলে ‘ঘরে বৌ-কিলানো’- প্রবচনে নিমজ্জিত হওযার ফজিলত কি? আরও অনেক বৈরিতা আছে। সামগ্রিক বিবেচনায় খুবই বৈরী সময়ে দৈনিক আগামী সময় কঠিন দৌড়ে সামিল হয়েছে। এরপরও নতুন পত্রিকাটির জন্য নিরন্তর শুভকামনা। কিন্তু কামনাই কি সব? তা তো নয়! তবুও ধন্যবাদ পেতেই পারেন নতুন পত্রিকাটির কর্তৃপক্ষ এবং সংযুক্ত সকলেই।
লেখক : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক

