বুড়িগঙ্গা দূষণ: শ্যামপুর-কদমতলীর ৫ কারখানায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

সংগৃহীত ছবি
বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকায় পাঁচটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। গত বৃহস্পতিবার পরিচালিত মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানগুলোর তরল বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা (ইটিপি)সহ সার্বিক পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করা হয়।
পরিদর্শন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে মেসার্স বাহার ডাইং, খাদিজা টেক্সটাইল প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিজ ও এরিস্টোফার্মা লিমিটেড। পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইটিপিসহ সার্বিক পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি পরবর্তী বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
কার্যক্রমে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্টের পরিচালক মো. মাহবুব জামিল, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন মো. গোলজার হোসেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম এবং ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহম্মদ হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন।
ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর পরিবেশ সুরক্ষায় গত ১৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় সেল গঠন করা হয়। এর অধীনে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত সাব-কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে মাসব্যাপী রোস্টারভিত্তিক মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম চলবে।



