৫৪ বছর পর শহীদ বুদ্ধিজীবী লুৎফুর রহমান স্মারকগ্রন্থ
- প্রকাশনা উৎসব আয়োজন

ছবি: আগামীর সময়
শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক লুৎফুর রহমান। ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের (বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ) হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। ১৯৭১ সালের ২৭ নভেম্বর তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পাকিস্তানি সেনারা। ৬ ডিসেম্বর রাতে তাকে জেলখানা থেকে বের করে নেওয়া হয় শহরতলির কুরুলিয়া খালের পাড়ে। সেখানেই নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় তাকে। ৮ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া হানাদার মুক্ত হলে পরিবারের সদস্যরা লুৎফুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করেন। তিনি সমাহিত হন পারিবারিক কবরস্থানে।
সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক লুৎফুর রহমান স্মারকগ্রন্থ। এটি সম্পাদনা করেছেন জয়দুল হোসেন ও মামুন সিদ্দিকী। আজ বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ মিলনায়তনে স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব হয়। সাহিত্য একাডেমি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।
সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন এবং নুসরাত জাহান বুশরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু জাফর মো. আরিফ হোসেন।
মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলা একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা মামুন সিদ্দিকী, স্বাগত বক্তব্য দেন সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শামিমুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খান সাদাত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি আল আমিন শাহীন, শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী আহাম্মদুন নবী রানা।
নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহিদুল ইসলাম, ভাদুঘর মাহবুবুল হুদা পৌর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামীম উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক আবুল হাসানাত, কবি মো. আব্দুর রহিম, তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামিম আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহমেদ, কমরেড নজরুল ইসলাম, কবি সাহাবুল ইসলাম, এম এ মালেক, ফারুক আহমেদ ভুইয়া, খালেদা মুন্নী, সোহেল রানা ভূঁইয়া, জামিনুর রহমান, মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।




