টিটন হত্যাকাণ্ড
জড়িতদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামছে ডিবি

সংগৃহীত ছবি
দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘আধিপত্য বিস্তার ও হাট ইজারা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।’
আজ বুধবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে হেরোইন, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারসংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেছেন।
শফিকুল ইসলাম বলেছেন, টিটন নিজেও একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত সে বিষয় তদন্ত করছি। খোঁজখবর নিচ্ছি, যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মামলার এজাহারে বাদী গরুর হাট নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। হত্যাকাণ্ডে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল ও কাইল্লা বাদলসহ অনেকের নামে উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে ডিবির গোয়েন্দা প্রধান বলেছেন, ‘হত্যার ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে। বাদী যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তাদের বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। তাদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। আপনারা জানেন, সামনে কোরবানির ঈদ, গরুর হাট নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল। সেই দ্বন্দ্ব ও অন্যান্য বিষয় মাথায় রেখে হত্যার রহস্য উদঘাটন করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হাট ইজারাকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড আরও ঘটতে পারে। প্রতিরোধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছি। হাটকে কেন্দ্র করে যেন কোনোভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে বাড়ানো হবে তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি।’
বিদেশে বসে হত্যার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে, এই বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘অতীতে এমন কর্মকাণ্ড অনেকেই করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিদেশে অবস্থানরত কারও সংশ্লিষ্টতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি যাদের এমন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণে দোষী সাব্যস্ত হবে ইন্টারপোলে চিঠি দেওয়া হবে। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।’



