Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষকের তৃষ্ণা মেটান আকরাম
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

গোলটেবিল বৈঠক

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও নারী শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হয়নি

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১৯:১৯
স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও নারী শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হয়নি

ছবি: আগামীর সময়

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের নারী শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষা এখনও নিশ্চিত হয়নি। অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও তারা কর্মক্ষেত্রে কম মজুরি, বৈষম্য, যৌন হয়রানি এবং আইনি সুরক্ষার অভাবে শোষণের শিকার হচ্ছেন।

আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত ‘নারী শ্রমিকের অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা: বর্তমান বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। বাংলাদেশ প্রগতিশীল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এ বৈঠকের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি রোজিনা আক্তার। তিনি বললেন, ‘স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে দেশের অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তৈরি পোশাক খাতে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ শ্রমিকই নারী। কিন্তু কম মজুরিতে কাজ করানো যায় বলেই মালিকরা নারী শ্রমিক নিয়োগে বেশি আগ্রহী। কর্মক্ষেত্রে তারা যৌন হয়রানিসহ নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হলেও কার্যকর ট্রেড ইউনিয়ন এবং আইনি সুরক্ষার অভাব রয়েছে।’

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সিনিয়র সভাপতি সাহিদা আক্তার। তিনি জানালেন, দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে নারী শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। অথচ অর্থনৈতিক রূপান্তরের এই চালিকাশক্তিই আজ সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী দেশে প্রায় ২ কোটি ৩৭ লাখ নারী শ্রমিক রয়েছেন। তবে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তাদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ কিছুটা কমেছে।

ওক্সফ্যামের গবেষণার তথ্য তুলে ধরে সাহিদা আক্তার বললেন, ‘অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত নারী শ্রমিকদের মাত্র শূন্য দশমিক ৭৩ শতাংশের লিখিত নিয়োগপত্র রয়েছে। ফলে অধিকাংশ নারী শ্রমিক শ্রম আইনের সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত।’

প্রবন্ধে আরও বলা হয়, সমান কাজ করেও কৃষি, নির্মাণ ও চাতাল শিল্পে নারী শ্রমিকরা পুরুষদের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কম মজুরি পান। শ্রম আইনে শালীনতাবিরোধী আচরণ নিষিদ্ধ থাকলেও এর স্পষ্ট সংজ্ঞা না থাকায় কর্মক্ষেত্রে হয়রানি প্রতিরোধ কার্যকর হচ্ছে না।

মাদারল্যান্ড গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শান্তনা ইসলাম জানালেন, অনেক কারখানায় এখনও মাতৃত্বকালীন ছুটি দেওয়া হয় না। সরকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন ১২ হাজার ৫০০ টাকা মজুরিও সব প্রতিষ্ঠানে কার্যকর হয়নি। বর্তমান বাজারে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায় একটি পরিবারের জীবনযাপন সম্ভব নয়।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজা আফরোজ বলেছেন, ‘নারী শ্রমিকরা অধিকার সম্পর্কে সচেতন নন—এ ধারণা সঠিক নয়। পারিবারিক ও সামাজিক বাধার কারণে অনেকেই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারেন না।’

নীতিনির্ধারণী পর্যায় ও সংসদে নারী শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধি না থাকায় তাদের দাবি-দাওয়া যথাযথভাবে তুলে ধরা যায় না। শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত না হলে তাদের অধিকারও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হবে না।—জানালেন উপস্থিত বক্তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবিকুন নাহার মুন্নি (এমপি) বললেন, ‘সরকার বদলালেও শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। প্রকৃত শ্রম সংস্কার এখনও হয়নি। শোষণ ও বৈষম্য দূর করতে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই।’

গোলটেবিল বৈঠকনারী শ্রমিকন্যায্য অধিকার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    মধ্যরাতে ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা

    মধ্যরাতে ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা

    ফনিক্স ফান্ডে বিধি লঙ্ঘন

    ফনিক্স ফান্ডে বিধি লঙ্ঘন