সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের ৭ বিল পাস, আলোচনায় ঝুলে গেল ৩টি

ফাইল ছবি
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭টি অধ্যাদেশ বিল আকারে পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলগুলো উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
এদিন আইনমন্ত্রী মোট ১০টি বিল সংসদে উত্থাপন করেছিলেন। এর মধ্যে ৭টি বিল পাস হলেও বাকি ৩টি বিল নিয়ে আপত্তি ওঠায় সেগুলো রাখা হয়েছে অধিকতর আলোচনার জন্য।
এছাড়া ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা (সংশোধন) বিল’ উত্থাপন করলে সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
পাস হওয়া ৭টি বিল হলো ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন-২০২৬; রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২৬; নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) আইন-২০২৬; নির্বাচন কমিশন কর্মচারী (বিশেষ বিধান) সংশোধন আইন-২০২৬; জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) আইন-২০২৬; জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) রহিতকরণ আইন-২০২৬; বাংলাদেশ ল অফিসার্স (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২৬।
আপত্তি থাকায় যে ৩টি বিল পাস না করে আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে সেগুলো হলো- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনপ্রচলন) আইন-২০২৬; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ আইন-২০২৬ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ (রহিতকরণ) আইন-২০২৬।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরে নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাথমিক লক্ষ্য। এর মধ্যে প্রথম দফায় আজ ১০টি বিল তোলা হয় সংসদে। বাকি ৮৮টি অধ্যাদেশ পর্যায়ক্রমে সংসদে উত্থাপন করা হবে বিল আকারে।















