দিল্লিতে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে জোর

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ছবি: এস জয়শঙ্করের এক্স থেকে
নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে আজ বুধবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বৈঠকের পর একান্ত আলোচনাও করেন তারা।
বৈঠকে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে দিল্লি গেছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে বাণিজ্য, জ্বালানি, সংযোগ ও সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে দুই পক্ষের।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই ও পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, দুই দেশই নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে একমত। কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার আশা কর্তাদের। তবে এটিকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হিসেবেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে মত কূটনৈতিক মহলের।
জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়। এ বৈঠকের ফলে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত দিলেন সংশ্লিষ্টরা। মূলত বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই স্বাভাবিক হতে থাকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক।
এর ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রী হিসেবে ভারত সফরে গেলেন খলিলুর রহমান। এই ‘শুভেচ্ছা’ সফরে গতকালই দিল্লি পৌঁছান তিনি।
আজ দুপুরে হায়দরাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার আগে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগ দেন ড. খলিলুর রহমান। বিকালে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে তার।
পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে প্রথম দিনেই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন খলিলুর রহমান। অন্তর্বর্তী সরকার আমলে খলিলুর রহমানও বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।
দিল্লিতে বৈঠক শেষ করে মরিশাসে ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। আগামীকাল সকালে মরিশাসের উদ্দেশে দিল্লি ছাড়বেন তারা। ১১ ও ১২ এপ্রিল মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিত হবে এ সম্মেলন।















