সম্ভবত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বর্তমান হাসপাতালে জ্বরের চিকিৎসা পেতেও পড়তে হয় ভোগান্তিতে। লাইনে দাঁড়িয়ে ডাক্তারের দেখা পাওয়ার আগেই রোগীর অবস্থা নাজুক হয়ে পড়ে! ভোর সকালে এসে দুপুর গড়িয়ে যায় চিকিৎসকের দেখা পাওয়ার অপেক্ষায়। তবে এই দুর্ভোগের অবসান নাকি ঘটবে ২০৩৫ সালের চিকিৎসাব্যবস্থায়। হাসপাতালে অভিষেক ঘটবে এআই চিকিৎসকের। এটি ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ‘কো-পাইলট’ হিসেবে কাজ করবে এবং রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেবে। ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনেই ভবিষ্যৎ দুনিয়ার এই অত্যাধুনিক স্বাস্থ্য খাতের চিত্র তুলে ধরেছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান।
প্রযুক্তির ডানার নিচে আশ্রয় নেবে ডাক্তার ও রোগী— উভয়েই। তবে একেবারে রোবট বা এআই দিয়েই সব চিকিৎসা হবে না। এসব নতুন উদ্ভাবন মূলত ডাক্তারদের সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পদ্ধতি বেছে নিতে এটি ডাক্তারকে সহায়তা করবে। চিকিৎসা শুরুর আগে রোগ নির্ণয় সঠিক কি না— সে বিষয়ে দ্বিতীয় একটি মতামত নেওয়ার মতো ভূমিকা রাখবে এটি।
ফার্স্ট এইড বা প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রথম সারিতে কাজ করবে এই প্রযুক্তি। ডাক্তার ব্যস্ত বা অনুপস্থিত থাকলে রোগী তার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বিনা দ্বিধায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে জানাতে পারবেন। রোগ নির্ণয় রিপোর্টের সূক্ষ্ম কোনো বিষয় চোখ এড়িয়ে গেলে, এআই তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য রোগ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারবে। অর্থাৎ ডাক্তারের চোখের আড়ালে কিছু থেকে গেলেও প্রযুক্তির নজর এড়াবে না কোনো রোগ।
শুধু রিপোর্ট বিশ্লেষণ বা রোগ নির্ণয়ই নয়, এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা রোগীর সমস্যা ও উপসর্গ শুনে প্রাথমিকভাবে পরামর্শ বা ওষুধের দিকনির্দেশনাও দিতে পারবে। এক্ষেত্রে রোগীর খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে জীবনযাপনের খুঁটিনাটি তথ্যও এটি বিবেচনায় রাখবে। এমনকি কোনো ওষুধ প্রেসক্রাইব করার ক্ষেত্রে সংশয়ে পড়লে চিকিৎসক নিজেও তার ‘কো-পাইলট’-এর সহায়তা নিতে পারবেন।




