কুমিল্লা
সাংবাদিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

সংগৃহীত ছবি
চৌদ্দগ্রামে এক মাদরাসা ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সংবাদ প্রকাশ করে মানহানির হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে সাংবাদিকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগের পর এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্যের।
অভিযোগপত্রে ৩ নম্বর বিবাদী হিসেবে দৈনিক কালের কণ্ঠের চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি কাশিনগর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের মো. রানা (আবুল বাশার রানা)–এর নাম করা হয়েছে উল্লেখ।
ভুক্তভোগী আল আমিনের অভিযোগ অনুযায়ী, গত রবিবার রাত ৮টার দিকে তার ফুফাতো ভাই নুর হোসেন রাজিব তাকে ফোন করে মিয়াবাজারে মো. রনির মোটরসাইকেল গ্যারেজে যেতে বলেন। পরে তিনি সেখানে গেলে আগে থেকে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে সাংবাদিক পরিচয়ধারী ব্যক্তিও ছিলেন, তার বিরুদ্ধে এক নারীকে শ্লীলতাহানির ঘটনার ছবি ও তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেন।
অভিযোগে বলা হয়, ওই সময় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি প্রকাশ না করার শর্তে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে সাংবাদিক পরিচয়ধারী একজন তার মোবাইল ফোন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর থেকে অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অভিযুক্ত ৩ নম্বর বিবাদী দৈনিক কালের কণ্ঠের চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি আবুল বাশার রানা প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে বলেন, তিনি সহকর্মী সাংবাদিক এমরান হোসেন বাপ্পির কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা করেছেন। তবে চাঁদা দাবির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক নূর নবী জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।




