অথচ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলাচেষ্টার অভিযোগ তুলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় আশ্রয় নিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান। গতকাল বুধবার বিকালে জেলা সদরের পুরাতন হাসপাতাল সড়কে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে ফেসবুক লাইভে হাজির হন তিনি। লাইভে মাহদী বলছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মত প্রকাশের জেরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া দিয়ে হামলার চেষ্টা করছেন।
অথচ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ এনামুল হাসান নয়ন নামে এক তরুণকে আটক করে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে। পরে মাহদী অনুসারীদের নিয়ে থানায় গিয়ে নয়নকে আটকের কৈফিয়ত চান পুলিশের কাছে। সেখানে তিনি ওসিকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।’
ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাকে। যদিও পরে আদালতের মাধ্যমে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
গতকালের ঘটনার বিষয়ে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তার ভাষ্য, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের একটি জরুরি বৈঠক চলছে। সদর মডেল থানার ওসি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তার বক্তব্য, ‘মাহদীর লাইভে করা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। রিকশার পেছনের অংশে কাউকে দেখা যায়নি। ছাত্রদলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সাজানো নাটক।’




