এবং

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সীমান্তের অন্তত তিনটি স্থান দিয়ে ৩৬ নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং ভারত বলছে এর জন্য যা করার তারা তা-ই করবে।
পত্রিকার খবর বলছে, গতকাল শুক্রবার ভোর থেকে সকালের মধ্যে পুশইনের এসব ঘটনা ঘটেছে। এরপর ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশিসহ সব ‘অবৈধ অভিবাসী’ মোকাবিলায় এবং ফেরত পাঠাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘তাদের মোকাবিলার জন্য আইন রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী নেওয়া হবে ব্যবস্থা।’ তিনি স্পষ্ট করেন, একাধিক ঘটনা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশের কাছে পাঠানো হয়েছে। জাতীয়তা নিশ্চিত হওয়ার পর ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবে ভারত সরকার।
জয়সওয়াল দাবি করেন, ‘ভারতে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকরা যদি অবৈধভাবে এখানে থাকেন, বাংলাদেশ থেকেও যদি হন, তাহলে তাদের মোকাবিলার জন্য আমাদের আইন রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে একটি দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা এসব ঘটনা বাংলাদেশের কাছে পাঠাই, যাতে তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জাতীয়তা যাচাই করতে পারে। যাচাই সম্পন্ন হলে আমরা ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিই।’
এদিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা এসব পুশইন প্রতিহত করলেও, তাদের মধ্যে অন্তত ২৭ জন শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। ফলে দুই দেশের মধ্যকার চার হাজার কিলোমিটারের বেশি সীমান্ত এলাকায় সতর্ক থাকতে হচ্ছে বিজিবিকে।
এই ৩৬ জনের মধ্যে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের আউলিয়ারহাট কামাতটারী সীমান্ত দিয়ে পুশইন করার চেষ্টা হয়েছিল ১০ জনকে। যে দলে ছিল নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুও। গতকাল ভোরে তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধীন ৬১ বিজিবির পঁয়ষট্টিবাড়ি বিওপির সীমান্ত এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ।




