Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সুস্থতা

গরমে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ২০:২৭
গরমে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

সংগৃহীত ছবি

শরীরের একটি দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা হলো উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন। যেখানে ধমনিতে রক্তের চাপ নিয়মিতভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দেখা দিতে পারে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো জটিলতা। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী হয়ে ওঠতে পারে যা। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এর পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায়ও রয়েছে, যা ওষুধের পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে সুস্থ মানুষের শরীরই যখন হাঁপিয়ে ওঠে, তখন উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এ সময়টি। অতিরিক্ত গরমে শরীরের রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয় এবং ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি ও খনিজ লবণ বেরিয়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ হঠাৎ কমে বা বেড়ে গিয়ে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই তীব্র গরমে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে জীবনযাত্রায় কিছু বিশেষ পরিবর্তন আনা জরুরি।

১. রিহাইড্রেশন কৌশল

রিহাইড্রেশন হলো শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া পানি ও প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণের প্রক্রিয়া। গরমে শরীর আর্দ্র রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃষ্ণা না পেলেও প্রতি ঘণ্টায় অন্তত এক গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। দিনে গড়ে ২ দশমিক ৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা উচিত। শুধু পানি নয়, ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে যাওয়া সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণে ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা চিনি ছাড়া লাচ্ছি পান করা যেতে পারে। পাশাপাশি চা, কফি, কোমল পানীয় ও শক্তিবর্ধক পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ এসব পানীয় শরীরকে আরও পানিশূন্য করে তুলতে পারে।

২. খাদ্যতালিকায় শীতল প্রভাব আনতে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

রান্নায় লবণ কম ব্যবহার করতে হবে। প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিপস, আচার ও সস জাতীয় খাবারে অতিরিক্ত লবণ থাকে, তাই এগুলো পরিহার করা উচিত। টেবিলে কাঁচা লবণ রাখার অভ্যাসও বাদ দিতে হবে।বেশি খেতে হবে পানি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি। শসা, তরমুজ, বাঙ্গি, লাউ, ধুন্দুল ও চাল কুমড়া শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পাশাপাশি কলা, টমেটো, ডাল ও সবুজ শাকসবজির মতো পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। গরমের সময় হালকা, সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো। অতিরিক্ত তেল, মশলা ও চর্বিযুক্ত খাবার শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।


আরও পড়ুন

গরমে চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে

১৩ মে ২০২৬


৩. জীবনযাত্রার সামঞ্জস্য ও হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ

সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এ সময়ে বাইরে না যাওয়াই ভালো। হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরা উচিত। বাইরে বের হলে ছাতা, রোদচশমা ও টুপি ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যায়ামের অভ্যাস থাকলে তা সকাল বা সন্ধ্যার অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা সময়ে করা ভালো। কড়া রোদে বা অতিরিক্ত গরমে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলা উচিত।

৪. ঘরোয়া পরিবেশ ও মানসিক প্রশান্তি

গরমে ঘর যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা জরুরি। দুপুরের দিকে জানালা বন্ধ রাখলে বাইরের গরম বাতাস কম প্রবেশ করে। জানালায় হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকে জানালায় বাঁশ বা বেতের তৈরি পর্দ ব্যবহার করেন। সেগুলোতে পানি ছিটিয়ে দিলে ঘরের বাতাস ঠান্ডা রাখা যায়।

এছাড়াও প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা উচিত। মানসিক চাপ কমাতে হালকা ধ্যান বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম উপকারী।


আরও পড়ুন

মন খারাপ থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

১২ মে ২০২৬



৫. নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসকের পরামর্শ

উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি। গরমে সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার রক্তচাপ মেপে তা লিখে রাখা ভালো। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা বা মাত্রা পরিবর্তন করা উচিত নয়। রক্তচাপ বেশি ওঠানামা করলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করতে হবে।

৬. কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন

গরমে যদি হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, কথা জড়িয়ে যাওয়া অথবা শরীরের কোনো এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে রোগীকে।

সামান্য সতর্কতা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে তীব্র গরমেও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

উচ্চ রক্তচাপগরমরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise