অনিয়মিত মাসিক কেন হয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
একজন নারীর শরীর প্রতি মাসে সম্ভাব্য গর্ভাবস্থার জন্য প্রস্তুত হয়। এ সময় ডিম্বাশয় থেকে একটি পরিপক্ব ডিম্বাণু ফ্যালোপিয়ান টিউবে আসে এবং সুস্থ শুক্রাণুর সঙ্গে নিষিক্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকে। গর্ভধারণ না হলে জরায়ুর ভেতরের নরম আস্তরণ বা এন্ডোমেট্রিয়াম ভেঙে রক্ত ও তরল আকারে শরীর থেকে বের হয়ে আসে, যাকে মাসিক বা পিরিয়ড বলা হয়। সাধারণত এই চক্র ২৮ দিন পরপর হলেও অনেক নারীর ক্ষেত্রে তা অনিয়মিত হতে পারে।
অনিয়মিত মাসিক হওয়ার কারণ
· আবহাওয়া ও পরিবেশগত কারণে অনেক মেয়ের ১০ থেকে ১১ বছর বয়সে মাসিক শুরু হয়। শুরুর দিকে হরমোনের কারণে অনেকের মাসিক অনিয়মিত হয়
· মানসিক চাপ, রাতজাগা, তৈলাক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড, হাঁটাচলার অভাব ও ওজন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে মাসিক সঠিক সময়ে নাও হতে পারে
· সন্তান জন্মদানের পর শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় অনেক নারীর মাসিক হয় না
· গর্ভনিরোধক ওষুধ ও ইনজেকশনের সাইড ইফেক্টে পিরিয়ড বন্ধ বা অনিয়মিত হতে পারে
· হাইপার বা হাইপো থাইরয়ডিজম ওষুধ, জরায়ু বা ওভারিতে কোনো অসুখ, হরমোনজনিত অসুখ থাকলে অনিয়মিত মাসিক হয়
· কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, জরায়ুতে অপারেশনের পর মাসিক অনিয়মিত হতে পারে
· হঠাৎ অতিরিক্ত খাবার নিয়ন্ত্রণ, মানসিক রোগের কিছু ওষুধে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে
মনে রাখবেন, দীর্ঘদিন অনিয়মিত মাসিক হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
লেখক: স্ত্রী ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ পালস পয়েন্ট হেলথকেয়ার লিমিটেড, ঢাকা






