তাসনিয়া ফারিণ
যা আমার ব্যক্তিত্বের সাথে যায় না, এমন কিছু জোর করে চাপিয়ে নেব না

এই সময় যে কজন অভিনেত্রীকে নিয়ে দেশীয় শোবিজে আলোচনা হয়, তার মধ্যে অন্যতম তাসনিয়া ফারিণ। সর্বশেষ ঈদে ফারিণ অভিনীত প্রিন্স চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। শাকিব খানের সঙ্গে এই ছবিতে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন। যদিও ব্যবসায়িকভাবে সাফল্য লাভ করতে পারেনি ছবিটি। ফারিণ সামাজিক মাধ্যমে সবসময় সরব থাকেন। তবে রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক ইস্যুর চেয়ে ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়েই বেশি কথা বলেন তাসনিয়া ফারিণ।
এরইমধ্যে এক ফেসবুক পোস্টে নিজের সাজসজ্জা ও ব্যক্তিগত পছন্দ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
বলেন, ‘বড় হওয়ার সময় মেকআপ নিয়ে আমার তেমন কোনো মাথাব্যথা ছিল না। বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান থাকলে মাঝে মাঝে মায়ের লিপস্টিক ব্যবহার করতাম। তাছাড়া আমার ড্রেসিং টেবিলে চিরুনি আর একটা পারফিউম ছাড়া আর কিছুই থাকত না। সত্যি বলতে, মেকআপ করার প্রয়োজন আমি কখনোই অনুভব করিনি।’
ফারিণ প্রচুর ঘুরতে পছন্দ করেন। দেশ বিদেশে তাকে ঘুরতে দেখা যায়। সেভাবে ঝলমলে সাজে খুব একটা তাকে দেখা যায় না। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অতি সাধারণ থাকতেই ভালোবাসেন।
ফারিণের ভাষ্য, ‘বিনোদন জগতে আসার পর আমি ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করি মেকআপ কী বা এটি কীভাবে কাজ করে। আমি সব ধরনের লুকই ট্রাই করেছি। কখনো একদম সাধারণ, আবার কখনো বেশ জমকালো। আমাকে ভুল বুঝবেন না, নতুন নতুন সাজগোজ করতে আমি ভালোবাসি। তবে আমি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি যখন আমার মুখে মেকআপ থাকে না বা খুব সামান্য থাকে। বাইরে যাওয়া বা কোথাও ঘুরতে যাওয়ার সময় আমি মেকআপ ছাড়াই থাকতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি।’
নিজের আত্মবিশ্বাস কোথায় সেটাও তিনি ধরতে পারেন। ফলে মেকি জায়গা থেকে তিনি বেরিয়ে আসতে চাইছেন। বলছেন, ‘কেমন যেন কর্মক্ষেত্রে গেলে আমার এই অনুভূতিটা বদলে যায়। সেখানে নিখুঁত দেখার একটা প্রবণতা কাজ করে, নিজেকে নির্দিষ্ট একটি ধরনে উপস্থাপনের তাগিদ অনুভব করি। এবার আমি সেটা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি সেভাবেই নিজেকে তুলে ধরব যেভাবে থাকলে আমি আত্মবিশ্বাসী বোধ করি। যা আমার ব্যক্তিত্বের সাথে যায় না, এমন কিছু আমি জোর করে চাপিয়ে নেব না। আর আমি এখানে শুধু মেকআপের কথাই বোঝাচ্ছি না।’




