নিজেকে কতটা ভাঙলেন সাবিলা নূর?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর বড় পর্দায়ও নিজের অবস্থান শক্ত করার পথে এগিয়ে চলেছেন। সম্প্রতি ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের বিপরীতে অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছেন তিনি।
সাবিলা জানালেন, অভিনয়জীবনে তিনি সব সময় ভিন্নধর্মী চরিত্রে কাজ করতে আগ্রহী। তার ভাষ্য, ‘তাণ্ডব’-এ কাজ করার পর দর্শক তাকে ‘লিচুবাগান’ ধরনের গানে দেখবেন, তা অনেকেই ভাবেননি। সচেতনভাবেই তিনি নিজের প্রচলিত ইমেজ ভাঙতে চেয়েছেন। এরপর ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এও একেবারে আলাদা ধরনের চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। সেই ধারাবাহিকতায় ‘রকস্টার’-এও দর্শকদের সামনে নতুনভাবে হাজির হওয়ার চেষ্টা করেছেন।
চলচ্চিত্রটিতে নিজের চরিত্র ‘মিরা’র প্রস্তুতি ও টিমওয়ার্ক প্রসঙ্গে সাবিলা নূর বললেন, ‘মিরার জার্নির কথা যদি বলি, আসলে আমরা খুব বেশি সময় পাইনি প্রিপারেশন নেওয়ার। মনে হয় দুই বা তিন সপ্তাহের মতো সময় পেয়েছি। তবে এই অল্প সময়ের মধ্যে পরিচালক, ডিওপি, আর্ট এবং বিশেষ করে কস্টিউম, মেকআপ ও হেয়ার টিমের কোলাবরেটিভ এফোর্টের কারণেই মিরার এই রূপটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। তাই মিরার পুরো জার্নিটা আমি আমার টিমকে ডেডিকেট করতে চাই।’
শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশংসা করেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, ‘সহশিল্পী হিসেবে শাকিব খান অত্যন্ত সহযোগিতাপরায়ণ, নিবেদিত এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ। তার সঙ্গে পর্দা ভাগাভাগি করা সব সময়ই ভালো লাগার বিষয়।’
সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশের পর অনেকে বলিউড তারকা রণবীর কাপুর অভিনীত রকস্টারের সঙ্গে তুলনা করেন। এ প্রসঙ্গে সাবিলা বলেছেন, ‘রণবীর কাপুরের রকস্টার একটি কাল্ট ক্লাসিক। তাই নাম শুনলেই দর্শকের মনে সেই সিনেমার কথা আসা স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশের রকস্টারের গল্প সম্পূর্ণ আলাদা। এতে একজন মানুষের জীবন, তার সংগীতযাত্রা এবং সেই পথে নানা বাস্তবতার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। ট্রেলার দেখে কিছুটা মিল মনে হলেও পুরো সিনেমা দেখলে পার্থক্য স্পষ্ট হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।’
কোরবানির ঈদের ব্যস্ততার মধ্যেও দর্শকদের সিনেমা হলে গিয়ে ছবিটি দেখার আহ্বান জানিয়েছেন সাবিলা। তার মতে, বাংলাদেশে আরও বৈচিত্র্যময় ঘরানার সিনেমা নির্মাণ দেখতে চাইলে দর্শকদের এমন উদ্যোগকে সমর্থন করা প্রয়োজন।
বড় পর্দার এই নতুন যাত্রা নিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি বললেন, ‘প্রতিটি সিনেমা মুক্তির আগেই আমি ভীষণ নার্ভাস থাকি। তাই কিছুটা নার্ভাস তো অবশ্যই, তবে নার্ভাসনেসের সঙ্গে আমি এক্সাইটেডও; কারণ নতুন কিছু দেখতে আমার সব সময়ই ভালো লাগে ‘
তবে সবকিছুই শেষে ইমেজ ভাঙতে চাওয়া সাবিলা, রকস্টারে কতটা নিজেকে ভেঙেছেন তা দর্শকই বলতে পারবেন।







