ঢাবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ক্যাম্পাসে ময়লা ফেলার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল হতে হবে

সংগৃহীত ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা এ আহ্বান জানান।
ডিএসসিসির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবসময় পথ দেখিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে ইতোমধ্যে ২০০টি ডাস্টবিন দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও ডাস্টবিন দেওয়া হবে। তবে শুধু ডাস্টবিন স্থাপন করলেই হবে না, শিক্ষার্থীদেরও সচেতন হতে হবে। রাস্তায়, টিএসসি কিংবা ক্যাম্পাসের অন্য কোথাও ময়লা না ফেলার বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
আবদুস সালাম বলেন, টিএসসি, শাহবাগ ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ভাসমান হকারদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। হকারদের তালিকা করে পরিচয়পত্রের আওতায় আনার প্রস্তাব দেন তিনি। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার আমাদের ঐতিহ্য ও গর্বের জায়গা। কোনোভাবেই জায়গাটি অপরিচ্ছন্ন রাখা যাবে না, বলেন তিনি।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু এক দিনের কর্মসূচি নয়, সারা বছর এ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। পরিচ্ছন্নতার জন্য বাইরের কারও ওপর নির্ভর না করে নিজেদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো অনুষ্ঠান শেষে যেন এক টুকরো পলিথিন, টিস্যু কিংবা বাদামের খোসাও পড়ে না থাকে, সে দায়িত্ব সবাইকে নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথি, ছাত্রদল নেতাকর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অংশগ্রহণে টিএসসি থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি কলাভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ক্যাম্পাসে স্থাপন করা নতুন ডাস্টবিন উদ্বোধন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অপরিষ্কার স্থান পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।




